রান্না করতে জানতে হবে-+ রেসিপি।
1>পাবদা মাছে নুন হলুদ মাখিয়ে রেখে দিয়ে ভাজবার আগে মাছের গায়ে একটু কাঁচা সর্ষার তেলমেখে মাছ গুলি মিডিয়াম আছে ভাজলে ভাজার সময় তেল ছিটবে না।
2>মাছ ভাজতে কড়াইতে তেল দিয়ে তেল একটু নুন দিয়ে তেল গরম করে তাতে মাছ ভাজলে মাছ কখন কড়াইতে লেগে যাবে না।
3> সর্ষে বাটবার সময় একটু নুন মিশিয়ে সর্ষে বাটলে সর্ষে তেতো হয় না।
==========================
★1>মৌরি পটল ::;----
উপকরণ::---
পটল //মৌরি / নুন / হলুদ/ চিনি / আদা /কাঁচালংকা / /লঙ্কার গুঁড়ো /
গরম মসলা গুড়ো / ঘি / এলাচ /
দারুচিনি / তেজপাতা / সরষের তেল।
প্রণালী:
প্রথমেই 500 গ্রাম পটলের খোসা ছাড়িয়ে
সামান্য নুন হলুদ দিয়ে সর্ষে তেলে ভেজে
নিতে হবে।
এবার পটল গুলি তুলে রেখে পটল ভাজার সেই তেলেই ৪ টে ছোট এলাচ, ১/২ ইঞ্চি দারুচিনি, ১ টা তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে নিতে হবে।
এবার একটি মিক্সিং জারে ২ টেবিল চামচ মৌরি, ১ ইঞ্চি আদা, ২ টো কাঁচালংকা ও সামান্য জল দিয়ে একটু পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে।
এরপর ওই ফোড়ন দেওয়া তেলের মধ্যে
এই পেস্ট টুকু দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। একটু কষানো হলে তাতে
১/২ কাপ টক দই, স্বাদমতো নুন, ১চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ লঙ্কার গুঁড়ো, স্বাদমতো চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ভেজে নিয়ে তার সাথে আগে ভেজে রাখা পটল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।
দরকার হলে ১/২ কাপ জল দিতে হবে
একটু কষানো হয়ে গেলে তার সাথে
১/৪ চা চামচ গরম মসলা গুড়ো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে গ্যাস বন্ধ করে দিতে ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে।
এরপর নামানোর আগে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে মিশিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে খেয়ে দেখুন মৌরি পটল।
গন্ধে মন ভরে জাবে মুখের স্বাদ পাল্টে জবে, এই নুতন রেসিপি মৌরি পটলে।
========================
★2>কলমি শাকের বড়া::---
গরম ভাতের সঙ্গে মুখরোচক
দুর্দান্ত স্বাদের ‘কলমি শাকের বড়া’, একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে।
উপকরণ:
১.কলমি শাক
২.নুন
৩.হলুদ
৪.চিনি
৫.পেঁয়াজ কুচি
৬.রসুন বাটা
৭.আদা বাটা
৮.লঙ্কা বাটা
৯.ধনে গুঁড়ো
১০.জিরে গুঁড়ো
১১.গরম মসলা গুঁড়ো
১২.বেসন
১৩.চালের গুঁড়ো
১৫.সাদা তেল
প্রনালী:
প্রথমেই কিছুটা কলমি শাককে টুকরো টুকরো করে কেটে নিয়ে একটি মিক্সিং বোলে শাক গুলোকে নিয়ে তারমধ্যে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, আদা বাটা, লঙ্কা কুচি, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মসলা গুঁড়ো, নুন, চিনি দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে।
এবার তার সাথে ৪ চামচ বেসন দিয়ে, ২ চামচ চালের গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প জল দিয়ে টাইট ডো তৈরি করে নিতে হবে।
তারপর কড়াইতে সরষের তেল গরম করে তাতে মিশ্রণ থেকে কিছুটা অংশ নিয়ে বড়ার মতোন শেপ দিয়ে কড়াইতে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর উল্টে পাল্টে ভেজে নিলেই একেবারে তৈরি দূর্দান্ত স্বাদের কলমি শাকের বড়া।
============================
★ 3>সজনে সাগ বাটা:--
বিশেষ এক উপাদেয় এবং উৎকৃষ্ট মানের স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন নানান ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ সজনে সাগ বাটা:---
যদিও সজনে সাগ নানান ভাবে খাওয়া চলে তথাপি এই সাগের বাটার স্বাদ এক বিশেষ মাত্রা প্রকাশ করে।
উপকরণ:--
সজনে পাতা ২ কাপ
রসুন কোয়া ১২-১৫ টি
পেঁয়াজ কুচি ১/৪ কাপ
কাঁচা লঙ্কা/শুকনো লংকা ৪/৫টি
নুন স্বাদমতো
সরিষার তেল পরিমাণমত মতো
পদ্ধতি:
1>পাতাগুলো বেছে নিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে অল্প জলেতে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
★(সেদ্ধ করা জল ফেলে দিলে চলবে না)
2>জল শুকিয়ে গেলে অল্প তেলে দিয়ে সামান্য ভেজে নিতে হবে।
3> রসুন,কাঁচা লংকা, পেঁয়াজ সবগুলি
অল্প তেলে ভেজে নিতে হবে।
4>এবার একটি প্লেটের মধ্যে সজনে পাতা, রসুন,কাঁচা লংকা,পেঁয়াজ নুন দিয়ে একসঙ্গে বেটে নিতে হবে।
5>সব কিছু বাটা হয়ে গেলে এর সাথে
সামান্য সরিষার তেল দিয়ে ভাল করে মেখে নিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে, যেন সরষের তেলের ঝাঁঝ চলে না যায়।
গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে সজনে পাতার বাটা পরিবেশন করুন।
=========================
======================
রান্নার জরুরি টুকি টাকি----
ফ্রায়েড রাইস রান্নার গোপন কথা::---
ফ্রায়েড রাইস রান্নার সময় কড়াইয়ের গায়ে চাল আটকে যায়।
সামান্য একটু সচেতন হয়ে রান্না করলেই মিলতে পারে সমাধান::---
রইল সেই সাবধানতার সমাধান।
1>সবার প্রথমে গ্যাসের আঁচ বাড়িয়ে যে পাত্রে রান্না করবেন, সেটি গরম করে নিন৷
2>পাত্রে কয়েক ফোঁটা তেল দিন৷ এ বার হাতা বা খুন্তির সাহায্যে অথবা পাত্রটিকে ধরে নাড়িয়ে তেলটি তার সারা গায়ে ছড়িয়ে দিন৷
3> কিছু ক্ষণের জন্য পাত্রটিকে সরিয়ে রাখুন৷
4> তার পর যখন রাঁধতে শুরু করবেন, পাত্র বসান আঁচে৷ এ বার যে পদ্ধতিতে রান্না করেন, সেভাবেই করুন৷ দেখবেন, ফ্রায়েড রাইসের চাল আর আটকাবে না কড়াইয়ের গায়ে৷
তা হলে এভাবে বিভিন্ন রকম সসের সংমিশ্রণে চাইনিজ ফ্রায়েড রাইস অথবা বাঙালি স্বাদের মিষ্টি মিষ্টি সাদা ভাত, যে ভাবেই রাঁধুন না কেন, কড়াইয়ের গায়ে চাল আটকে যাবে না৷
<----আদ্যনাথ--->
===================
মাংসের ঝোলে বেশি ঝাল হলে---??
মাংসের ঝোলে বেশি লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে ফেলেছেন? ঝাল কমাবেন কী ভাবে
অনেক কম সময়ে, সহজ উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।
1>পাতি লেবু-----
পাতি লেবুর অনেক গুণ। নানা কাজেই সাহায্য করতে পারে। রান্নায় বেশি লঙ্কার গুঁড়ো পড়ে গেলেও ভরসা করা যায় এই লেবুর উপরেই। শুধু মাংসই নয়, যে কোনও ধরনের তরকারি বেশি ঝাল হয়ে গেলে তাতে খানিকটা পাতি লেবুর রস মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। ঝাল কমবেই।
2>কাঁচা আলু------
মাংসের ঝোলে আলুর কয়েকটি টুকরো দিয়ে দিতে পারেন। আলু কেটে, ধুয়ে নিয়ে কাঁচাই ফেলে দিন ঝোলের মধ্যে। ঝাল অনেকটাই কমে যাবে। কিছু ক্ষণ পর কাঁচা আলুর টুকরোগুলি তুলে নিন।
3>টক দই-------
মাংসের ঝোলে কিছুটা টক দই মিশিয়ে দিলেও কমবে ঝাল। ভাবছেন রান্না প্রায় হয়ে গেলে টক দই কী ভাবে দেবেন? ঘরে পাতা দই সামান্য ফেটিয়ে ঝোলের মধ্যে ঢেলে দিন। তার পর আবার কিছু ক্ষণ মাংস ফুটিয়ে নিন। ঝাল খানিকটা কমতে বাধ্য।
=======================
. খোয়া ক্ষীর আসল কি নকল ????
1. খোয়া ক্ষীর কেনার আগে খেয়ে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। জানাচ্ছেন, খোয়া ক্ষীর মুখে দিলে গলে যাবে। নকল খোয়া ক্ষীর আপনার জিভে লেগে যাবে বা চটচট করবে।
2. খোয়া ক্ষীর কেনার সময় হাতে নিয়ে ছোট দলা তৈরি করার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন খুব সহজেই বলের আকারে তৈরি করা গেল, তা বুঝতে হবে সেটি আসল। আর যদি বলের আকারে না তৈরি করা যায় এবং ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেটি নকল।
3. আসল খোয়া ক্ষীরের হাতে নিলে তা থেকে ঘিয়ের গন্ধ আসবে। যদি তেমনটা না হয়, তাহলে বুঝবেন সেটি নকল।
4. খোয়া ক্ষীর খাওয়ার সময় যদি কাঁচা দুধের স্বাদ পান তাহলে বুঝবেন সেটি আসল। নিঃসন্দেহে কিনে ফেলতে পারেন।
=======================
|| রন্ধনে স্বাদ ||
রন্ধনে স্বাদ বাড়ে রাধুঁনীর গুণে,
সাফল্যে আনন্দ হয় সমস্যা সমাধানে।
জীবন চলে জীবনের গতিতে প্রকৃতির কারণে
জীবনের সংজ্ঞার পার্থক্য মানুষে চিন্তার কারণে।
জীবন আছে যতক্ষন
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, থাকবে ততক্ষণ।
জীবন ফুরিয়ে যায় না, স্মৃতি হয়ে রয়ে যায়,
জীবন কখনো সুখের কখনো দুঃখের,
জীবন গতি ময়, বাধা পেলে আরও তীব্র গতিতে ধায়।
হাসি কান্না সুখ দুঃখ নিয়েই জীবন হয়।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================
1.রেসিপি পনির ++(2)
পনির তো অনেক ভাবেই রান্না করে খেয়েছেন, একবার নবাবি পনির রান্না করে খেয়ে দেখুন।
স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় এই নবাবি পনির।
উপকরণ:
পনির - ৩০০ গ্রাম,
লেবুর রস - ১ চা চামচ,
গ্রেটেড নারকেল - ১/২ কাপ (দুধ সহ।)
কাজু জলে ভিজিয়ে রাখুন,
জিরা গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ,
গোটা জিরে- ১চা চামচ,
চাট মশলা - ১/২ চা চামচ,
গোলমরিচ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ,
কাঁচা লঙ্কা- ২টো,
পেঁয়াজ কুঁচি -২টো,
রসুন - ৬ কোয়া,
আদা- ১ টুকরো,
দারুচিনি - ১ টুকরো,
লবঙ্গ -২টি,
ছোট এলাচ -২টি,
তেল - ১/২ চা চামচ।
ঘি - ১ চা চামচ ,
সিদ্ধ সবুজ মটর - ১/২ কাপ,
কাটা লাল ক্যাপসিকাম - ১টা,
ধনে পাতা - ১/৩ কাপ,
নুন - স্বাদ অনুযায়ী,
হলুদ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ।
জল-১/৪ কাপ,
পদ্ধতি: ফ্রাই প্যানে পরিমাণ মতো তেল গরম করে পনিরের টুকরাগুলি দিয়ে এবং কিছুটা তেল ছড়িয়ে পনির সোনালি করে
ভাজে নিতে হবে।
গ্রেভির জন্য মশলা-----
মশলা তৈরির জন্য নারকেল+ কাজু+কাঁচা লঙ্কা+ দারুচিনি+ লবঙ্গ+এলাচ+ জিরা ।
এগুলি একসাথে করে জল দিয়ে ভালো করে পিষে নিতে হবে।
এবার----
কড়াইতে ঘি গরম করে তাতে আদা+রসুন দিয়ে+ তার সাথে পেঁয়াজ দিয়ে ভেঁজে নিতে হবে ।পেঁয়াজ বাদামি রঙের হয়ে এলে তৈরি মশলার পেস্টটি দিয়ে দিতে হবে।
এর পর একে একে নুন+ হলুদ গুঁড়ো + গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিয়ে পাঁচ মিনিট রান্না করে +পনির+ নারকেলের দুধ+ নারকেল কোরা+মটরশুটি+
ক্যাপসিকাম দিয়ে প্রয়োজন মতন গ্রেভির জন্য জল দিয়ে কিছুক্ষন ঢাকা দিয়ে রান্না করতে হবে।
পনির একটু সিদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে +ধনে পাতা ছড়িয়ে নিলেই হয়ে যাবে নবাবি পনির।
গরম গরম ভাত, রুটি বা পরোটার সঙ্গে
পরিবেশন করে নিজেও খেয়ে দেখুন
নবাবি পনির।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
==========================
নারকেল পোস্তর বড়া-----
উপকরণ:
কুরিয়ে রাখা নারকোল ১ কাপ
কাঁচা লঙ্কা ৩ টে
পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ
কালোজিরে ১ চা চামচ
ময়দা ১ টেবিল চামচ
চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ
নুন স্বাদ মত
সামান্য মিষ্টি
সরষের তেল ১ কাপ
প্রণালী: একটি পাত্রের মধ্যে সমস্ত উপকরণকে ভাল করে মিশিয়ে ফেলতে হবে। সমস্ত মিশ্রন ভালো করে মাখা হয়ে গেলে ছোট ছোট চ্যাপ্টা করে বড়ার আকারে গড়ে নিতে হবে। নুন, মিষ্টি পরিমাণমতো দিতে হবে। এক্ষেত্রে মিষ্টিটা একটু বেশি দিলে খেতে ভালো লাগবে। এরপর বড়া গুলোকে ডুবো সরষের তেলে ভেজে নিলেই একেবারে তৈরি হয়ে যাবে ‘নারকেল পোস্তর বড়া’।
নিরামিষ এবং লোভনীয় গরম গরম ডাল, ভাতের সঙ্গে নারকেল পোস্তর বড়া।
একবার খেলেই বুঝবেন এর মজা।
আর এমন মুখরোচক জিনিস বানিয়ে না খেলে আপশোষ রয়ে যাবে জীবন ভর।
তাই আর দেরিনা করে বানিয়ে খাও,
লোভনীয় মুখরোচক নারকেল পোস্তর বড়া।
আর এমন লোভনীয় মুখরোচক খাবার
খেয়ে কেমন লাগলো সেটা জানাতে ভুল না আমাকে ।
ইতি
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
==========================
==========÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷===