মোচার ডালনা::----

 


মোচার ডালনা::----

মোচার ডালনার সবচেয়ে কঠিন কাজ হল মোচা পরিষ্কার করা। 


●মোচা: ১টি মাঝারি আকারের মোচা

ভালো করে পরিষ্কার করে কুচিয়ে ধুয়ে

নিতে হবে ।


●আলু: ১-২টি মাঝারি আকারের (ছোট ছোট ডুমো করে কাটা)

●নারকেল কোরা: ১/২ কাপ (অল্প পরিমাণ)

●ভাজা মুগ ডাল: ১/২ কাপ  দিলে স্বাদ বাড়ে। না দিলেও চলে।

●কাঁচা ছোলা: ১/২ কাপ (সারারাত ভিজিয়ে রাখা)

●আদাবাটা: ১ টেবিল চামচ

●জিরে বাটা: ১ চা চামচ

●শুকনো লঙ্কা: 1-2 টি

●তেজপাতা: ২-৩টি

●গোটা জিরে: ১/২ চা চামচ

●গুঁড়ো গরম মশলা: ১/২ চা চামচ (এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ)

●হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

●চিনি: আধা চা চামচ (স্বাদমতো)

●নুন: স্বাদমতো

●সর্ষের তেল: রান্নার জন্য

●ঘি: ১-২ চা চামচ


প্রণালী::---


ধাপ ১: মোচা পরিষ্কার করা


মোচার ডালনার সবচেয়ে কঠিন কাজ হল মোচা পরিষ্কার করা। 




 এবার মোচার ফুলের  অংশগুলি একটি একটি করে বের করে নিন। প্রতিটি ফুলের ভিতর একটি শক্ত সাদা কাঠি এবং একটি পাতলা সাদা পাপড়ি থাকে। এই দু'টি অংশ ফেলে দিতে হবে, কারণ এগুলি হজম হয় না। সব ফুলের কাঠি ও পাপড়ি ফেলে দেওয়ার পর মোচার ভিতর থেকে যে সাদা গোলাকার অংশটি বেরোবে সেটিও ভালো করে কুচি করে নিতে হবে। 


এবার কাটা মোচা একটি পাত্রে জল, সামান্য হলুদ এবং নুন দিয়ে প্রায় ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে।


 (এতে মোচার কষ বেরিয়ে যাবে। তারপর ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন।)


ধাপ ২: মোচা সেদ্ধ করা------


একটি পাত্রে জল গরম করে তাতে সামান্য নুন ও হলুদ দিয়ে পরিষ্কার করা মোচা এবং ভিজিয়ে রাখা ছোলা দিয়ে

মোচা নরম হওয়া পর্যন্ত সেদ্ধ করতে হবে। 


এটি প্রেশার কুকারেও করা যেতে পারে (একটি সিটি দিলেই যথেষ্ট)। মোচা সেদ্ধ হয়ে গেলে জল ঝরিয়ে তুলে রাখতে হবে।


ধাপ ৩: রান্না করা


একটি কড়াইয়ে সর্ষের  তেল গরম হলে এতে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা এবং গোটা জিরে ফোড়ন দিতে হবে। 


ফোড়ন থেকে সুগন্ধ বের হলে ডুমো করে কাটা আলু দিতে হবে, আলু হালকা ভাজা হয়ে গেলে এতে আদাবাটা এবং জিরে বাটা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। 


এবার এতে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো এবং সামান্য জল দিয়ে ভালো করে মশলা কষতে হবে। 


মশলা কষা হয়ে তেল ছেড়ে এলে সেদ্ধ করে রাখা মোচা ও ছোলা দিয়ে দিয়ে ভালো করে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে

 এতে স্বাদমতো নুন ও চিনি দিন।


 (চিনি দিলে মোচার কষা ভাব কেটে যায় এবং স্বাদ বাড়ে। )


সবকিছু একসাথে ভালো করে কষাতে হবে  যতক্ষণ না মোচা নরম হয় ও মজে আসে। মাঝে মাঝে অল্প জল ছিটিয়ে দিতে হবে যাতে কড়াইয়ের তলায় লেগে না যায়। 


মুগ ডাল ব্যবহার করলে এই পর্যায়ে আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখা ভাজা মুগ ডাল দিতে হবে এবং ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। সবশেষে, কোড়ানো নারকেল এবং গরম মশলা গুঁড়ো দিয়ে  ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে  গ্যাসের আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিয়ে কয়েক মিনিটের জন্য রান্না করতে হবে। 


সবশেষে, গ্যাস বন্ধ করে উপরে ঘি ছড়িয়ে ঢেকে আরও ৫-১০ মিনিট রেখে দিতে হবে।


(এতে ঘি ও গরম মশলার সুগন্ধ পুরো ডালনায় মিশে যাবে। )

ব্যস, গরম গরম ভাতের সঙ্গে তৈরি সুস্বাদু ঐতিহ্যবাহী মোচার ডালনা

জমে যাবে মন ভোলানো মোচড় ডালনা।

===================++++¥


>|| দইবড়ার ইতিবৃত্ত ||

    


    >|| দইবড়ার   ইতিবৃত্ত  ||

            <---আদ্যনাথ--->


সে এক কিংবদন্তিই বলা চলে।


বৃন্দাবনের বাঁকেবিহারীর মন মাতানো গল্প কাহিনী এমনই::--

যেখানে "আর্যাবর্তের দইয়ে সিক্ত দাক্ষিণাত্যের বড়া তার পর থেকে এখানকার মহাপ্রসাদ।"

"দইবড়ার জন্য বৃন্দাবনের বাঁকেবিহারী বন্ধক রেখেছিলেন গয়না"।

বৃন্দাবনে বাঁকেবিহারী সম্পর্কে  অদ্ভুত ও অতি সুন্দর এক কাহিনি প্রচলিত রয়েছে::---

 "বহু কাল আগে এক দিন সকালে মন্দিরের সেবাইতরা গর্ভগৃহের দরজা খুলে বিগ্রহকে সাজাতে গিয়ে দেখেন, বাঁকেবিহারীর হাতের একটি সোনার বালা উধাও! মন্দিরে তন্নতন্ন করে খুঁজেও বালার সন্ধান পাওয়া গেল না। মন্দির জুড়ে হইচই। চতুর্দিকে খবর ছড়িয়ে পড়ল। সেই সময় মন্দিরের কাছে অবস্থিত একটি খাবারের দোকানের মালিক মন্দিরের সেবাইতদের শোনালেন একটি আশ্চর্য ঘটনা। তিনি বলেন যে, গত রাতে যখন তিনি দোকান বন্ধ করছেন, তখন একটি ছোট ছেলে এসে তাঁর কাছে দইবড়া খেতে চায়। ছেলেটি দইবড়া খাবার পর দোকানদার তার কাছ থেকে দইবড়ার দাম চাইলেন। ছেলেটি নিজের হাতের বালা খুলে দোকানদারের কাছে বন্ধক রেখে চলে যায়। দোকানদার প্রমাণস্বরূপ ছেলেটির রেখে যাওয়া বালাটি বের করে দেখালেন। বাঁকেবিহারীর সেবাইতরা স্তম্ভিত। বিগ্রহের খোয়া যাওয়া সোনার বালাটি দোকানদারের হাতে! ভক্তদের বিশ্বাস, সে দিন শ্রীমান বিহারীলালই মন্দির থেকে বেরিয়ে হাতের বালা বন্ধক দিয়ে দইবড়া খেয়েছিলেন! সেই থেকে বাঁকেবিহারীর নিত্যভোগে নিবেদন করা হয় দইবড়া। দ্বাপর যুগের প্রিয় খাদ্যটিকে কলিতেও ভুলতে পারেননি বিহারীলাল। এই ভাবেই দইবড়ার মহাপ্রসাদ হয়ে ওঠা।"

"ভারতের দক্ষিণের ওই বড়া ভারতের উত্তরে এসে পিছলে পড়েছে দইয়ের ঘোলে। বঙ্গবাসীর রসনায় আধিপত্য কায়েম করেছে উত্তর ভারতের ‘দহিবড়া’-ই।"

"মশলাদার টক দইয়ে বিউলির ডালের বড়ার আত্মসমর্পণ। তার উপরে ঝুরিভাজা, চাট মশলা ও তেঁতুলের চাটনি। দারুণ সুস্বাদু এই মিশেলটিকে আমরা চিনি দইবড়া নামে। বিপ্রদাস মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘পাকপ্রণালী’ বইতে একে বলেছেন ‘ঘোলবড়া’। প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবীও তাঁর বইতে দইবড়ার প্রস্তুত প্রণালী বর্ণনা করেছেন। মুখরোচক জলখাবার হিসেবে পরিচিত হলেও প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী দইবড়ার ভোজনবিধি সম্বন্ধে বলেছেন, “জলপানে লুচি, ছোকা প্রভৃতির সঙ্গে এবং ভাতের সহিতও দই বড়া খাইতে ভাল।” ভারতের হিন্দি বলয়ের জনপ্রিয় এই খাদ্যটি যে কবে, কী ভাবে বাংলার জলহাওয়ায় মিশে গিয়েছে তা আজ আর জানার উপায় নেই। দইবড়া যে উত্তর ভারত থেকে বাংলায় এসে নিজের আধিপত্য কায়েম করেছে, সেই তত্ত্ব অনেকে মানতে নারাজ। আবার বেশ কিছু বৈষ্ণব সাহিত্যে উল্লেখ আছে, শ্রীকৃষ্ণের পছন্দের খাবারের মধ্যে অন্যতম ছিল দইবড়া। যদিও বৃন্দাবনের আদরের কানাইয়ের জন্য ডালের বদলে ছোলার বেসন দিয়ে বড়া তৈরি করে পাতলা ঘোলে পাতিলেবুর রস, আদা ও হিং মিশিয়ে দইবড়া প্রস্তুত হত।

প্রাচীনকাল থেকেই দই স্বমহিমায় ভাস্বর। বেদে দধির উল্লেখ আছে। মহাভারতে দই প্রভূত প্রশংসা পেয়েছে। মোগলরাও মহামানবের সাগরতীরে এসে আপন করে নিয়েছিল তাকে। অন্য দিকে বড়ার কথা প্রথম পাওয়া গিয়েছে ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অর্থাৎ পরবর্তী বৈদিক যুগে রচিত সূত্র-সাহিত্যে। সেখানে সে ‘মাষবটক’ অর্থাৎ মাষকলাইয়ের বড়া। বট ফলের মতো গোলাকার বলে বড়াকে সংস্কৃতে বলা হত ‘বটক’। প্রথমে মাষকলাই ডাল ভিজিয়ে বেটে নুন, হিং মিশিয়ে বড়া তৈরি করে তেলে ভেজে পরিবেশন করা হত। পরবর্তী কালে মাষকলাইয়ের পরিবর্তে মুগ, মুসুর, ছোলার ডালের বড়া তৈরির প্রচলন ঘটেছে। বড়ার প্রচলন ভারত জুড়ে। তবে বড়া ‘সুপারস্টার’ হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ভারতে। সোনালি মুচমুচে, নরম দক্ষিণী বড়াকে শুধু কিংবা সম্বর, চাটনি সহযোগে— যে ভাবেই খাওয়া হোক না কেন, অতি উপাদেয়। খ্রিস্টজন্মের আগে লেখা ‘ধর্মসূত্র’ গ্রন্থে দক্ষিণ ভারতের বড়ার উল্লেখ পাওয়া যায়। বাঙালির পাতে বড়ার প্রথম উপস্থিতি দেখা গিয়েছে ‘শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত’ গ্রন্থে। শ্রীচৈতন্যের পার্ষদ বাসুদেব সার্বভৌম নীলাচলে মহাপ্রভুর ভোজনের যে এলাহি বন্দোবস্ত করেছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম ছিল মুদগবড়া, মাসবড়া ও কলাবড়া ।

ভারতের দক্ষিণের ওই বড়া ভারতের উত্তরে এসে পিছলে পড়েছে দইয়ের ঘোলে। বঙ্গবাসীর রসনায় আধিপত্য কায়েম করেছে উত্তর ভারতের ‘দহিবড়া’-ই। পশ্চিমবঙ্গের বহু মিষ্টির দোকানে কচুরি, শিঙাড়া, খাস্তা কচুরির পাশাপাশি আজকাল দেদার বিক্রি হয় দইবড়া।

শুধু আপামর ভারতবাসীকেই নয়, জগৎপতিকেও দইবড়া আনন্দ দান করে আসছে যুগ যুগ ধরে। বৃন্দাবনের বিখ্যাত বাঁকেবিহারী মন্দিরের সঙ্গে দইবড়া নিয়ে একটি আশ্চর্য কিংবদন্তি আছে। বাঁকেবিহারী বৃন্দাবনের সুপ্রাচীন বিগ্রহদের মধ্যে অন্যতম। জানা যায়, বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ও ভক্তিমার্গের সাধক স্বামী হরিদাস এই বিগ্রহের প্রতিষ্ঠাতা। বৃন্দাবনের প্রসিদ্ধ নিধুবনে হরিদাসজি সাধন-ভজন করতেন। কথিত আছে, ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দের অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথির সন্ধ্যায় হরিদাসজি তানপুরা নিয়ে নিধুবনে বসে গান গাইছিলেন। তাঁর সুললিত কণ্ঠ ও প্রেম-ভক্তির আকর্ষণে শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধিকা সেখানে আবির্ভূত হন। হরিদাসজির প্রার্থনায় রাধা-কৃষ্ণ পরস্পর এক হয়ে বাঁকেবিহারীর বিগ্রহরূপ ধারণ করেন। যে স্থানে রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি প্রকট হয়, সেখানকার মাটি খুঁড়তেই পাওয়া যায় বাঁকেবিহারীর বিগ্রহ। শোনা যায়, হরিদাসজির সময়ে বাঁকেবিহারী নিধুবনে পূজিত হতেন। পরে বর্তমান মন্দিরটি স্থাপন করে বিগ্রহকে সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়।

বাঁকেবিহারী মন্দিরে বহুকাল ধরে চলে আসছে ‘ঝাঁকি দর্শন’ প্রথা। ভক্তদের দর্শন চলাকালীন কিছু ক্ষণ অন্তর গর্ভগৃহের দরজার পর্দা টানা হয়, পরক্ষণেই সরিয়ে দেওয়া হয়। বাঁকেবিহারীর সেবাইতরা বলেন যে, ওই নয়নাভিরাম বিগ্রহ দেখে ব্যাকুল হয় ভক্তরা, আর ভক্তের প্রেমের আকর্ষণে ভগবানও গর্ভমন্দির ছেড়ে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন। তাই ভক্তের আকর্ষণে অবরোধ সৃষ্টি করার জন্যই ঝাঁকি দর্শন প্রথার প্রচলন।"

 "বাঁকেবিহারী মন্দির শ্রীরামকৃষ্ণ ও সারদা দেবীর পদধূলিধন্য। শ্রীরামকৃষ্ণ যখন মথুরানাথের সঙ্গে বৃন্দাবনে আসেন, তখন এই বাঁকেবিহারী মন্দিরে তাঁর অদ্ভুত ভাবাবেশ হয়। শোনা যায়, তিনি আত্মহারা হয়ে বিগ্রহকে আলিঙ্গন করতে ছুটে গিয়েছিলেন। শ্রীমা সারদা বাঁকেবিহারী দর্শনে এসে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেন, “তোমার রূপটি বাঁকা, মনটি সোজা। আমার মনের বাঁকটি সোজা করে দাও।”

"" ‘দধি’ এবং ‘বটক’-এর এই মণিকাঞ্চন যোগ সত্যিই অমৃততুল্য! সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর এই খাবারটি ভগবানকেও তৃপ্তি দেয়, ভক্তের মুখেও হাসি ফোটায়।"'

      " সংকলিত"

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

===========================


>পোস্তর বড়া::--(পোস্ত ছাড়া)+( 1to 4)

 1>পোস্তর বড়া::--(পোস্ত ছাড়া)++

2>চিঁড়ে ও বেসনের পাকোড়া::

3>খিচুড়ি==হরেক রকম খিচুড়ি::

4>সুজির স্প্রিং নিমকি::---



==================

1>পোস্তর বড়া::--(পোস্ত ছাড়া)


পোস্ত ছাড়াই পোস্তর বড়া বানানোর সহজ রেসিপি।


পোস্ত ছাড়া পোস্তর বড়া বানানোর জন্য প্রথমে উপকরণ হিসেবে নিতে হবে :

●. চারমগজ

●. নারকেল কোরা

●. আদা কুচি

●. লঙ্কা কুচি

●. বেসন

●. চালের গুঁড়ো

●. নুন

●. চিনি

●. সাদা তিল

●. সুজি

●. পোস্ত

●. বেসন

●. সাদা তেল


★★(চারমগজ একধরনের মশলা যা বাঙালি রন্ধনশৈলীতে ব্যবহৃত হয়। চারমগজ হচ্ছে চার ধরনের বীজের মিশ্রণ। বীজগুলো হচ্ছে শসা, মিষ্টিকুমড়া, আখরোট ও তরমুজ বীজ l স্থানীয় বাজারে অনেক সময় শুধুমাত্র আখরোট বীজ চারমগজ নামে বিক্রি করতে দেখা যায়।)




প্রণালী :

1>প্রথমে সাদা তিল ও চারমগজ একটি মিক্সার গ্রাইন্ডারে ভালোমতো গুঁড়ো করে নিতে হবে। 


2>এবার একটি পাত্রে একে একে গুঁড়ো করা সাদা তিল ও চারমগজ, + বেসন, +নারকেল কোরা, + চালের গুঁড়ো,+ লঙ্কা কুচি, + আদা কুচি, + স্বাদমতো নুন এবং + চিনি,+ হলুদ গুঁড়ো ও + সামান্য পরিমাণ জল দিয়ে ভালোমতো মেখে নিতে হবে। 


3>মিশ্রণটি এমনভাবে মাখতে হবে যাতে সেটি থেকে ছোটো ছোটো বড়ার আকার তৈরি করা যায়। এবার একটি প্লেটে সামান্য পরিমাণ পোস্ত ও সুজি ছড়িয়ে রাখতে হবে। তারপর মিশ্রণটি থেকে ছোটো ছোটো বড়ার আকার তৈরি করে তা সুজি ও পোস্তর মিশ্রণে ভালোমতো মাখিয়ে গরম তেলে ভেজে নিলেই তৈরি সুস্বাদু পোস্তর বড়া।

==========================


2>চিঁড়ে ও বেসনের পাকোড়া::---


উপকরণ:

1. চিঁড়ে 1কাপ

2. বেসন 2 কাপ

3. গোটা জিরে 1/2 চামচ

4. হিং পাউডার 1/4 চামচ

5. কাঁচালঙ্কা কুচি সামান্য

6. ধনেপাতা কুচি সমস্য

7. চাট মশলা পাউডার 1/2 চামচ

8. গরম মশলা গুঁড়ো 1/4 চামচ ।

9. নুন পরিমান মতন

10. শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো 1/2 চামচ।

11. তেল 

 12,সামান্য জল।


প্রণালী:


প্রথমে 2 কাপ চিঁড়ে জল ভালো করে ধুয়ে তার মধ্যে 1/4 কাপ জল দিয়ে  ভিজিয়ে রাখতে হবে। 


অন্যদিকে, গ্যাসে কড়াই বসিয়ে তা গরম করে 1 কাপ বেসন 2-3 মিনিট নেড়ে একটু সেকে  নিতে হবে।


এরপর আরও একটি পাত্রে তেল গরম করে 1/2 চামচ গোটা জিরে, 1/4 চামচ হিং পাউডার ও সামান্য কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নেড়ে আগে থেকে ভেজানো চিঁড়ের মধ্যে জিরে ও হিংয়ের মিশ্রণ, ভাজা বেসন, কিছু পরিমাণ ধনেপাতা কুচি, 1/2 চামচ চাট মশলা পাউডার, 1/4 চামচ গরম মশলা গুঁড়ো, স্বাদ অনুযায়ী নুন ও 1/2 চামচ শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।


এরপর একসঙ্গে মেখে একটি ডো বানিয়ে ওই ডো থেকে লম্বা আকৃতির লেচি গড়ে পকোড়া বানিয়ে নিতে হবে।


এরপর তেল গরম করে তার মধ্যে বানিয়ে নেওয়া পকোড়াগুলি ছেড়ে কিছুক্ষণ উল্টেপাল্টে তৈরি অভিনব দারুণ স্বাদের মুচমুচে পকোড়া।


==========================

 

3>খিচুড়ি==হরেক রকম খিচুড়ি::---


1>পাহাড়ি খিচুড়ি::---


উপকরণ: সিদ্ধ চাল ১ কাপ, সবুজ মুগ ডাল ২ কাপ, গোটা জিরে ২ চা চামচ, ঝিরিঝিরি করে কাটা আদা ১ চা চামচ, লবঙ্গ ৮ টুকরো, লঙ্কার গুঁড়ো ১ চা চামচ, হিং হাফ চা চামচ, নুন স্বাদমতো, হলুদ অল্প, শুকনো লঙ্কা ২ টি, ঘি পরিমাণ মতো।


প্রণালী: চাল আর ডাল ধুয়ে নিয়ে জলে ভিজিয়ে রাখুন। তার পর একটি বড় প্যানে ঘি দিন। ঘি গরম হয়ে এলে গোটা জিরে আর লবঙ্গ ফোড়ন দিতে হবে। একটু ভাজা হলে ঝিরিঝিরি করে কেটে রাখা আদা দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে চাল, ডাল, হলুদ ও স্বাদ মতো নুন দিয়ে নাড়তে থাকুন। ভাজা ভাজা হয়ে গেলে গরম জল দিয়ে ফুটতে দিন। একটু ফুটে গেলে গ্যাস কমিয়ে চাপা দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। মাঝে মাঝে অল্প একটু নেড়েচেড়ে দিন। জল শুকিয়ে গেলে আরও এক কাপ জল ঢেলে দিন। খুব ভাল করে চাল-ডাল সিদ্ধ হয়ে গেলে চাপা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাপে রেখে দিন। অন্য একটা ছোট প্যানে ঘি গরম করুন অল্প আঁচে। তাতে এক এক করে শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে, লঙ্কা গুঁড়ো আর হিং ফোড়ন দিন। ভাল করে নেড়েচেড়ে খিচুড়ির উপর ঢেলে কিছুক্ষণ চাপা দিয়ে রেখে পরিবেশন করুন।


2>মশলাদার খিচুড়ি।::----


উপকরণ: চাল ১ কাপ, অড়হর ডাল হাফ কাপ, বিউলির ডাল ২ টেবিল চামচ, ছোলার ডাল ৩ টেবিল চামচ, ছোট ছোট করে কাটা আলু, গাজর ও কড়াইশুঁটি ১কাপ, গোটা জিরে ১ টেবিল চামচ, গোটা ধনে ১ টেবিল চামচ, সরষে ১ টেবিল চামচ, মেথি হাফ টেবিল চামচ, লবঙ্গ ১০-১২ টি, দারুচিনি ২ টুকরো, নারকেল কোরা ৩-৪ টেবিল চামচ (জলে ভেজানো), নুন স্বাদ মতো, হলুদ, হিং, শুকনো লঙ্কা, কাশ্মীরি লাল লঙ্কা গুঁড়ো, তেঁতুল, গুড়, চিনা বাদাম, কারিপাতা পরিমাণ মতো।


পদ্ধতি: শুকনো কড়ায় বিউলির ডাল আর ছোলার ডাল নেড়ে একটি পাত্রে ঢেলে রাখুন। সব মশলাগুলো গরম কড়ায় সেঁকে নিন। নারকেল এবং গুড়ও সেঁকে নিতে হবে। এবার সব কিছু ঠান্ডা করে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। এর সঙ্গে হলুদ ও কাশ্মীরি লাল লঙ্কা গুঁড়ো মেশাতে হবে। এ বার একটা প্রেশার কুকারে চাল, ডাল, আলু, গাজর আর কড়াইশুঁটি দিয়ে, তাতে ৪ থেকে ৫ কাপ জল, নুন, হলুদ দিয়ে ৪টি সিটি দিন। অন্য দিকে একটা কড়াইতে ঘি গরম করে তাতে চিনাবাদাম ভেজে তুলে রাখুন। এর পর এতে হিং, সরষে, জিরে, কারিপাতা, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। তার মধ্যে পেঁয়াজ, টম্যাটো দিয়ে ভাল করে কষে নিন। কষানো হয়ে গেলে সবজিগুলো দিয়ে দিন। সব ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে আগে থেকে তৈরি করে রাখা মশলা এর মধ্যে দিন। ভাল করে ভাজা হলে তাতে তেঁতুলের জল, গুড় ও স্বাদ মতো নুন দিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন। কষানো হয়ে গেলে চাল, ডাল ঢেলে ভাল করে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে দিন। তার পর পরিবেশন করুন।


 3>মুরগা খিচুড়ি::---


উপকরণ: চিকেন ড্রামস্টিক ২ টুকরো, সিদ্ধ চাল ১ কাপ, মুসুর ডাল ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ২ চা চামচ, তেজপাতা ২ টি, শুকনো লঙ্কা ২-৩টি, ডুমো করে কাটা হাফ গাজর, মাঝারি আকারের আলু ১টি (ডুমো করে কাটা), লঙ্কার গুঁড়ো অল্প, হলুদ অল্প, নুন, সরষের তেল পরিমাণ মতো।


প্রণালী: একটি বড় কড়াইতে তেল গরম করে তাতে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিয়ে তাতে চিকেনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। চিকেন ভাজা ভাজা হয়ে গেলে তাতে চাল, ডাল ও পরিমাণ মতো নুন ও হলুদ দিন। ভাজা হয়ে এলে তাতে আদা বাটা দিয়ে আর একটু নাড়াচাড়া করে কিছুটা গরম জল দিয়ে ভাল করে ফোটাতে থাকুন। এবার একটু দমে রেখে সিদ্ধ করুন। ভাল করে সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।



4>  ল্যাম্ খিচুড়ি::---


উপকরণ:ল্যাম্ হলে ভালো অথবা মাটন হাড় ছাড়া সামনের রান, 500 গ্রাম, বড় সাইজ়ের পেঁয়াজ ২ টি, রসুন বাটা ১ চা চামচ, তেজপাতা ২টি, ছোট এলাচ ৬ পিস, দারুচিনি ২ টুকরো, লবঙ্গ ৬ টি,, সিদ্ধ চাল ১ কাপ, ভাজা মুগ ডাল ১ কাপ, নুন স্বাদ মতো, হলুদ অল্প, সর্ষের তেল ও ঘি পরিমাণ মতো।


প্রণালী: রান্না শুরুর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মাংসটা পেঁয়াজ ও রসুন, নুন, হলুদ, সর্ষের তেল মাখিয়ে রেখে দিন। এ বার প্রেশার কুকারে তেল গরম করে মাংস ভাল করে কষিয়ে নিতে হবে। তার পর তাতে এক কাপ জল দিয়ে মাংস ভাল করে সিদ্ধ করে নিন। একটি বড় কড়াইয়ে তেল দিন। তেল গরম হয়ে এলে তাতে ঘি, তেজপাতা, গোটা গরমমশলা ফোড়ন দিয়ে আগে থেকে ধুয়ে রাখা চাল, ডাল ঢেলে পরিমাণ মতো নুন, হলুদ দিয়ে ভেজে নিন। সব ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে প্রেশার কুকার থেকে পুরো মাংস এবং গ্রেভি নিয়ে এর সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। গ্যাস কমিয়ে কুকারের মুখ বন্ধ করে রাখুন। ভাল ভাবে সিদ্ধ হয়ে গেলে পরিবেশন করুন মাটন খিচুড়ি।


===================

4>সুজির স্প্রিং নিমকি::---


এক কাপ সুজি গ্রান্ডারে একটু হালকা গ্র্যান্ড করে নিতে হবে+ এবার তারসাথে এক চামচ তেল দিয়ে সুজিকে ভালোকরে ময়ম দিয়ে নিতে হবে, অর্থাৎ ভালোকরে মেখে নিতে হবে।

ময়ম দেওয়া হয়ে গেলে তার সাথে একটু কালো জিরে + একটু নুন মিশিয়ে নিয়ে আবার ভালো করে মেখে নিয়ে+ 

এবারে অল্প অল্প করে জল মেশাতেবহবে।

ভালো মতন ডো তৈরি হয়েগেল আধা ঘন্টা ঢেকে রেখে দিতে হবে সুজি ফুলবার জন্য।

দুজি ফুলে সুন্দর ডো তৈরি হয়ে গেলে  লেছি কিরে বলে নিয়ে নিমকির মতন কেটে নিয়ে।

কাটা চামচের উল্টো পিঠে করে চাপ দিয়ে সুন্দর রঙের মতন তৈরি কিরে তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে 

সুজির স্প্রিং নিমকি।

======================


 


রান্না করতে জানতে হবে-+ রেসিপি।

 রান্না করতে জানতে হবে-+ রেসিপি।


1>পাবদা মাছে নুন হলুদ মাখিয়ে রেখে দিয়ে ভাজবার আগে মাছের গায়ে একটু কাঁচা সর্ষার তেলমেখে মাছ গুলি মিডিয়াম আছে ভাজলে  ভাজার সময় তেল ছিটবে না।

2>মাছ ভাজতে কড়াইতে তেল দিয়ে তেল একটু নুন দিয়ে তেল গরম করে তাতে মাছ ভাজলে  মাছ কখন কড়াইতে লেগে যাবে না।

3> সর্ষে বাটবার সময় একটু নুন মিশিয়ে সর্ষে বাটলে সর্ষে তেতো হয় না।

==========================


 

★1>মৌরি পটল ::;----


উপকরণ::---

পটল  //মৌরি  / নুন / হলুদ/ চিনি / আদা /কাঁচালংকা / /লঙ্কার গুঁড়ো /

গরম মসলা গুড়ো / ঘি / এলাচ /

দারুচিনি / তেজপাতা / সরষের তেল।


 প্রণালী:


প্রথমেই 500 গ্রাম পটলের খোসা ছাড়িয়ে 

সামান্য নুন হলুদ দিয়ে সর্ষে তেলে ভেজে 

নিতে হবে।


এবার পটল গুলি তুলে রেখে পটল ভাজার সেই তেলেই ৪ টে ছোট এলাচ, ১/২ ইঞ্চি দারুচিনি, ১ টা তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে নিতে হবে। 


এবার একটি মিক্সিং জারে ২ টেবিল চামচ মৌরি, ১ ইঞ্চি আদা, ২ টো কাঁচালংকা ও সামান্য জল দিয়ে একটু  পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে।

এরপর ওই ফোড়ন দেওয়া তেলের মধ্যে 

এই পেস্ট টুকু দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। একটু কষানো হলে তাতে

 ১/২ কাপ টক দই, স্বাদমতো নুন, ১চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ লঙ্কার গুঁড়ো, স্বাদমতো চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ভেজে নিয়ে তার সাথে আগে ভেজে রাখা পটল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

দরকার হলে  ১/২ কাপ জল দিতে হবে  

একটু কষানো হয়ে গেলে তার সাথে

 ১/৪ চা চামচ গরম মসলা গুড়ো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে গ্যাস বন্ধ করে দিতে  ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে। 

এরপর নামানোর আগে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে মিশিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে খেয়ে দেখুন মৌরি পটল।

গন্ধে মন ভরে জাবে মুখের স্বাদ পাল্টে জবে, এই নুতন রেসিপি মৌরি পটলে।


========================


★2>কলমি শাকের বড়া::---


গরম ভাতের সঙ্গে মুখরোচক

দুর্দান্ত স্বাদের ‘কলমি শাকের বড়া’, একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে।


উপকরণ:


১.কলমি শাক

২.নুন

৩.হলুদ

৪.চিনি

৫.পেঁয়াজ কুচি

৬.রসুন বাটা

৭.আদা বাটা

৮.লঙ্কা বাটা

৯.ধনে গুঁড়ো

১০.জিরে গুঁড়ো

১১.গরম মসলা গুঁড়ো

১২.বেসন

১৩.চালের গুঁড়ো

১৫.সাদা তেল


প্রনালী:


প্রথমেই কিছুটা কলমি শাককে টুকরো টুকরো করে কেটে নিয়ে একটি মিক্সিং বোলে শাক গুলোকে নিয়ে তারমধ্যে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, আদা বাটা, লঙ্কা কুচি, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মসলা গুঁড়ো, নুন, চিনি দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে।

এবার তার সাথে ৪ চামচ বেসন দিয়ে, ২ চামচ চালের গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প জল দিয়ে টাইট ডো তৈরি করে নিতে হবে। 

তারপর কড়াইতে সরষের তেল গরম করে তাতে মিশ্রণ থেকে কিছুটা অংশ নিয়ে বড়ার মতোন শেপ দিয়ে কড়াইতে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর উল্টে পাল্টে ভেজে নিলেই একেবারে তৈরি দূর্দান্ত স্বাদের কলমি শাকের বড়া।

============================

★ 3>সজনে সাগ বাটা:--

 বিশেষ এক উপাদেয় এবং উৎকৃষ্ট মানের স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন নানান ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ সজনে সাগ বাটা:---


যদিও সজনে সাগ নানান ভাবে খাওয়া চলে তথাপি এই সাগের বাটার স্বাদ এক বিশেষ মাত্রা প্রকাশ করে।


উপকরণ:--


সজনে পাতা ২ কাপ

রসুন কোয়া ১২-১৫ টি

পেঁয়াজ কুচি ১/৪ কাপ

কাঁচা লঙ্কা/শুকনো লংকা ৪/৫টি

নুন স্বাদমতো

সরিষার তেল পরিমাণমত মতো


পদ্ধতি:


1>পাতাগুলো বেছে নিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে অল্প জলেতে সেদ্ধ করে নিতে হবে। 

  ★(সেদ্ধ করা জল ফেলে  দিলে চলবে না)


2>জল শুকিয়ে গেলে অল্প তেলে দিয়ে সামান্য ভেজে নিতে হবে। 

3> রসুন,কাঁচা লংকা, পেঁয়াজ সবগুলি

অল্প তেলে ভেজে নিতে হবে। 

4>এবার একটি প্লেটের মধ্যে সজনে পাতা, রসুন,কাঁচা লংকা,পেঁয়াজ নুন দিয়ে একসঙ্গে বেটে নিতে হবে। 

5>সব কিছু বাটা হয়ে গেলে এর সাথে

সামান্য সরিষার তেল দিয়ে ভাল করে মেখে নিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে, যেন সরষের তেলের ঝাঁঝ চলে না যায়।


গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে সজনে পাতার বাটা পরিবেশন করুন।

=========================

======================


  রান্নার জরুরি টুকি টাকি----


ফ্রায়েড রাইস রান্নার গোপন কথা::---


ফ্রায়েড রাইস রান্নার সময় কড়াইয়ের গায়ে চাল আটকে যায়।

সামান্য একটু সচেতন হয়ে রান্না করলেই মিলতে পারে সমাধান::---

 রইল সেই সাবধানতার সমাধান।


1>সবার প্রথমে গ্যাসের আঁচ বাড়িয়ে যে পাত্রে রান্না করবেন, সেটি গরম করে নিন৷


2>পাত্রে কয়েক ফোঁটা তেল দিন৷ এ বার হাতা বা খুন্তির সাহায্যে অথবা পাত্রটিকে ধরে নাড়িয়ে তেলটি তার সারা গায়ে ছড়িয়ে দিন৷


3> কিছু ক্ষণের জন্য পাত্রটিকে সরিয়ে রাখুন৷


4> তার পর যখন রাঁধতে শুরু করবেন, পাত্র বসান আঁচে৷ এ বার যে পদ্ধতিতে রান্না করেন, সেভাবেই করুন৷ দেখবেন, ফ্রায়েড রাইসের চাল আর আটকাবে না কড়াইয়ের গায়ে৷


তা হলে এভাবে বিভিন্ন রকম সসের সংমিশ্রণে চাইনিজ ফ্রায়েড রাইস অথবা বাঙালি স্বাদের মিষ্টি মিষ্টি সাদা ভাত, যে ভাবেই রাঁধুন না কেন, কড়াইয়ের গায়ে চাল আটকে যাবে না৷

        <----আদ্যনাথ--->


===================

মাংসের ঝোলে বেশি ঝাল হলে---??

  

 মাংসের ঝোলে বেশি লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে ফেলেছেন? ঝাল কমাবেন কী ভাবে


 অনেক কম সময়ে, সহজ উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।



1>পাতি লেবু-----


পাতি লেবুর অনেক গুণ। নানা কাজেই সাহায্য করতে পারে। রান্নায় বেশি লঙ্কার গুঁড়ো পড়ে গেলেও ভরসা করা যায় এই লেবুর উপরেই। শুধু মাংসই নয়, যে কোনও ধরনের তরকারি বেশি ঝাল হয়ে গেলে তাতে খানিকটা পাতি লেবুর রস মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। ঝাল কমবেই।


2>কাঁচা আলু------


মাংসের ঝোলে আলুর কয়েকটি টুকরো দিয়ে দিতে পারেন। আলু কেটে, ধুয়ে নিয়ে কাঁচাই ফেলে দিন ঝোলের মধ্যে। ঝাল অনেকটাই কমে যাবে। কিছু ক্ষণ পর কাঁচা আলুর টুকরোগুলি তুলে নিন।


3>টক দই-------


মাংসের ঝোলে কিছুটা টক দই মিশিয়ে দিলেও কমবে ঝাল। ভাবছেন রান্না প্রায় হয়ে গেলে টক দই কী ভাবে দেবেন? ঘরে পাতা দই সামান্য ফেটিয়ে ঝোলের মধ্যে ঢেলে দিন। তার পর আবার কিছু ক্ষণ মাংস ফুটিয়ে নিন। ঝাল খানিকটা কমতে বাধ্য।

=======================


. খোয়া ক্ষীর আসল কি নকল ????




1. খোয়া ক্ষীর কেনার আগে খেয়ে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। জানাচ্ছেন, খোয়া ক্ষীর মুখে দিলে গলে যাবে। নকল খোয়া ক্ষীর আপনার জিভে লেগে যাবে বা চটচট করবে। 


2. খোয়া ক্ষীর কেনার সময় হাতে নিয়ে ছোট দলা তৈরি করার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন খুব সহজেই বলের আকারে তৈরি করা গেল, তা বুঝতে হবে সেটি আসল। আর যদি বলের আকারে না তৈরি করা যায় এবং ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেটি নকল।


3. আসল খোয়া ক্ষীরের হাতে নিলে তা থেকে ঘিয়ের গন্ধ আসবে। যদি তেমনটা না হয়, তাহলে বুঝবেন সেটি নকল।


4. খোয়া ক্ষীর খাওয়ার সময় যদি কাঁচা দুধের স্বাদ পান তাহলে বুঝবেন সেটি আসল। নিঃসন্দেহে কিনে ফেলতে পারেন।

=======================


     ||  রন্ধনে স্বাদ ||


রন্ধনে স্বাদ বাড়ে রাধুঁনীর গুণে,

সাফল্যে আনন্দ হয় সমস্যা সমাধানে।

জীবন চলে জীবনের গতিতে প্রকৃতির কারণে

জীবনের সংজ্ঞার পার্থক্য মানুষে চিন্তার কারণে।


জীবন আছে যতক্ষন 

হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, থাকবে ততক্ষণ।

জীবন ফুরিয়ে যায় না, স্মৃতি হয়ে রয়ে যায়,

জীবন কখনো সুখের কখনো দুঃখের,

জীবন গতি ময়, বাধা পেলে আরও তীব্র গতিতে ধায়।

হাসি কান্না সুখ দুঃখ নিয়েই জীবন হয়।

      <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->


=========================



   1.রেসিপি  পনির ++(2)


পনির তো অনেক ভাবেই রান্না করে খেয়েছেন, একবার নবাবি পনির রান্না করে খেয়ে দেখুন।

 স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় এই নবাবি পনির।


উপকরণ: 

পনির - ৩০০ গ্রাম, 

লেবুর রস - ১ চা চামচ, 

গ্রেটেড নারকেল - ১/২ কাপ (দুধ সহ।)

কাজু জলে ভিজিয়ে রাখুন, 


জিরা গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ, 

গোটা জিরে- ১চা চামচ, 

চাট মশলা - ১/২ চা চামচ, 

গোলমরিচ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ, 

কাঁচা লঙ্কা- ২টো, 

পেঁয়াজ কুঁচি -২টো, 

রসুন - ৬ কোয়া, 

আদা- ১ টুকরো, 

দারুচিনি - ১ টুকরো, 

লবঙ্গ -২টি, 

ছোট এলাচ -২টি, 

তেল - ১/২ চা চামচ।

ঘি - ১ চা চামচ ,


সিদ্ধ সবুজ মটর - ১/২ কাপ, 

কাটা লাল ক্যাপসিকাম - ১টা, 

ধনে পাতা - ১/৩ কাপ, 

নুন - স্বাদ অনুযায়ী, 

হলুদ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ।

জল-১/৪ কাপ,


পদ্ধতি: ফ্রাই প্যানে পরিমাণ মতো তেল গরম করে  পনিরের টুকরাগুলি দিয়ে এবং কিছুটা তেল ছড়িয়ে  পনির সোনালি করে

ভাজে নিতে হবে। 


গ্রেভির জন্য মশলা-----

মশলা তৈরির জন্য নারকেল+ কাজু+কাঁচা লঙ্কা+ দারুচিনি+ লবঙ্গ+এলাচ+ জিরা ।

এগুলি একসাথে করে  জল দিয়ে ভালো করে পিষে নিতে হবে।

এবার----

কড়াইতে ঘি গরম করে তাতে আদা+রসুন দিয়ে+ তার সাথে  পেঁয়াজ দিয়ে ভেঁজে নিতে হবে ।পেঁয়াজ বাদামি রঙের হয়ে এলে তৈরি মশলার পেস্টটি দিয়ে দিতে হবে।

এর পর একে একে নুন+ হলুদ গুঁড়ো + গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিয়ে পাঁচ মিনিট রান্না করে +পনির+ নারকেলের দুধ+ নারকেল কোরা+মটরশুটি+

ক্যাপসিকাম দিয়ে প্রয়োজন মতন গ্রেভির জন্য জল দিয়ে কিছুক্ষন ঢাকা দিয়ে রান্না করতে হবে।

পনির একটু সিদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে +ধনে পাতা ছড়িয়ে নিলেই হয়ে যাবে নবাবি পনির।

  গরম গরম ভাত, রুটি বা পরোটার সঙ্গে 

পরিবেশন করে  নিজেও খেয়ে দেখুন

নবাবি পনির।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================

নারকেল পোস্তর বড়া-----


উপকরণ:

কুরিয়ে রাখা নারকোল ১ কাপ

কাঁচা লঙ্কা ৩ টে

পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ

কালোজিরে ১ চা চামচ

ময়দা ১ টেবিল চামচ

চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ

নুন স্বাদ মত

সামান্য মিষ্টি

সরষের তেল ১ কাপ


প্রণালী: একটি পাত্রের মধ্যে সমস্ত উপকরণকে ভাল করে মিশিয়ে ফেলতে হবে। সমস্ত মিশ্রন ভালো করে মাখা হয়ে গেলে ছোট ছোট চ্যাপ্টা করে বড়ার আকারে গড়ে নিতে হবে। নুন, মিষ্টি পরিমাণমতো দিতে হবে। এক্ষেত্রে মিষ্টিটা একটু বেশি দিলে খেতে ভালো লাগবে। এরপর বড়া গুলোকে ডুবো সরষের তেলে ভেজে নিলেই একেবারে তৈরি হয়ে যাবে ‘নারকেল পোস্তর বড়া’।


নিরামিষ এবং লোভনীয়  গরম গরম ডাল, ভাতের সঙ্গে নারকেল পোস্তর বড়া।

একবার খেলেই বুঝবেন এর মজা।

আর এমন মুখরোচক  জিনিস বানিয়ে না খেলে আপশোষ রয়ে যাবে জীবন ভর।

তাই আর দেরিনা করে বানিয়ে খাও,

লোভনীয় মুখরোচক নারকেল পোস্তর বড়া।

আর  এমন লোভনীয় মুখরোচক খাবার

খেয়ে কেমন লাগলো সেটা জানাতে ভুল না আমাকে ।

        ইতি

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================

     ==========÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷===








চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার,এলার্জি হবে না।

 

চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার,এলার্জি হবে না।
1>চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার
2>সজনে ফুলের পোস্ত ::--
3> || মুখরোচক সজনে পাতার ভাজি
========================

1>চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার,এলার্জি হবে না।
চিংড়ি মাছ সেদ্ধ করার সময় জলে একটু বেকিং পাউডার মিশিয়ে দিলে চিংড়ি মাছ সেদ্ধ হবে ভাল, শক্ত হবে না আর যাদের এলার্জি আছে তাদেরও কোন অসুবিধা বা এলার্জি হবে না।

চিংড়ি মাছ খেতে ভালবাসেন? এই মাছ রাঁধার সময় কোন ভুলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে?

Side Effects Of Eating Prawn
চিংড়ি মাছের খোলসের নীচে এই কালো শিরায় শরীরের নানা বর্জ্য পদার্থগুলি জমা থাকে। শিরাটি ভাল ভাবে পরিষ্কার না করে এই মাছ খেলে আপনার অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে।
শুধু তা-ই নয়, এর ফলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে।

কী ভাবে চিংড়ি মাছ সহজে পরিষ্কার করবেন?

১) বাজার থেকে আনা চিংড়ি মাছ ভাল করে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন। অনেক সময় চিংড়ি মাছের হালকা গন্ধ থাকে। সে ক্ষেত্রে গন্ধ দূর করতে মাছগুলি ভিনিগার জলে মিনিট ১৫ ডুবিয়ে রাখতে পারেন।

২) ভাল করে জল ঝরিয়ে মাথা, পা ও লেজ বাদ দিয়ে দিন। এ বার একটি টুথপিকের সাহায্যে চিংড়ি মাছের পিঠের দিকে কালো শিরাটি বার করে নিন।

৩) এ বার অনেকটা নুন জলে চিংড়ি মাছ ডুবিয়ে রেখে ভাল করে পরিষ্কার করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিলে মাস খানেক নষ্ট হবে না সাধের চিংড়ি মাছ।
========================

2>সজনে ফুলের পোস্ত ::--

উপকরণ

সজনে ফুল – ১00গ্রাম,
আলু –১০০গ্রাম ছোট ছোট চৌকোকরে কাটা,
পেঁয়াজ – ১০০/ ১৫০ গ্রাম (কুচোনো)
কাঁচা লঙ্কা – ২ টা (কুচোনো)
পোস্ত বাটা – ২-৩ টেবিল চামচ
লাল লংকাগুড়ো – ১ চা চামচ
হলুদ গুড়ো – ১/২(আধা)  চা চামচ
কালো জিরে – ১/২(আধা) চা চামচ
সরষের তেল – ৪- ৫ টেবিল চামচ
নুন স্বাদ অনুযায়ী,

পদ্ধতি
পুরোটা রান্নাটা হাল্কা আঁচে একটু ধৈর্য ধরে করতে হবে।

সজনে ফুলগুলি  বেছে ভলোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ঝুড়ির মধ্যে রেখে, জল ঝরিয়ে ভালোভাবে শুকনো করে নিতে হবে।
কিছুটা সরষের তেল কড়াইতে গরম করে, তাতে কালো জিরে ফোড়ন দিতে হবে। একটু নাড়াচারা করার পর যখন কালো জিরের একটা সুগন্ধ বের হবে ঠিক সেই সময় পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচালঙ্কা কুচি তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে।

পেঁয়াজ ভাজতে ভাজতে যখন হাল্কা রং ধরতে শুরু করবে, তখন টুকরো করা আলু ও সামান্য নুন কড়াইতে দিতে হবে। আলুর সাথে নুন দেওয়ার কারণ হলো আলু যাতে তাড়াতাড়ি নরম হয়। আলুটা কিছুক্ষণ ধরে চাপা দিয়ে ভাজতে হবে। আলুটা যখন একটু নরম হয়ে আসবে তখন সজনে ফুল ওই তেলের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে,

সজনে ফুলটা একটু ভাজা ভাজা হয়ে গেলে তাতে নুন,হলুদ ও পোস্তবাটা মিশিয়ে ভালোভাবে কয়েক মিনিট ধরে কষতে হবে। এরপর সামান্য জল মিশিয়ে চাপা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে। সবকিছু ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে গেলে কড়াই থেকে নামিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে খেতে দারুন মজা।
==========================

    3> || মুখরোচক সজনে পাতার ভাজি ||
সজনে পাতা+ পিয়াজ কুচি+ নুন
মিশিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
আরেকটি কড়াইতে  তেল দিয়ে তাতে শুকনো লঙ্কা একটু ভেজে নিয়র + তার সাথে পিয়াজ কুচি + একটু বেশি পরিমাণে রশুন কুচি মিশিয়ে একটু সোনালী করে ভেজে নিজে + তার সাথে সেদ্ধ করা সজনে পাতা দিয়ে একটু প্রয়োজন মতন নুন দিয়ে ভেজে নিতে হবে।
ব্যাস হয়েজাবে মুখরোচক সজনে পাতার ভাজি।
=======================