গুড়আম::---

  

গুড়আম::---

বানিয়েনিন মজাদার গুড়আম।

গরমে মজাদার কুখরোচক।

দরকার হলে মুজুদ রাখতে পারবেন অনেক দিন,(অবশ্যই কাঁচের বৈয়ামে বা কাঁচের জারে )।

( যতই ভালো হোক প্লাস্টিকের জারে বেশিদিন খাবার রাখা উচিত নয়)।


গুড় আম বানানোর উপকরণ::--


১. ৭৫০ গ্রাম কাঁচা আম,

২.মৌরি,

৩. গোটা জিরে,

৪.মেথি,

৫.বিটনুন,

৬.শুকনো লঙ্কা,

৭.পাঁচফোড়ন,

৮.আখের গুড়,

৯.লাল লংকার গুঁড়ো,

১০.সর্ষের তেল।


এবারে লিখে নিন প্রণালী: – 

 আমগুলি খোসা সমেত  ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে খোসা সমেত কেটে নিতে হবে লম্বা লম্বা করে।  

এবার কড়াইতে 1 চা চামচের মতো মেথি,জিরে ও মৌরি দিয়ে একটু ভেজে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। 


এর পরে কড়াইতে  দিতে হবে 1 টেবিল চামচ সর্ষের তেল। 

তেল গরম হয়ে গেলে তাতে 2,বা 4টি শুকনো লঙ্কা (ঝাল অনুসারে), 1/2 চামচ পাঁচফোড়ন দিয়ে নাড়াচাড়া করে জল ঝরানো কাটা আমের টুকরো গুলো  দিয়ে দিতে হবে।

এর পরে এতে সামান্য নুন আর বিটনুন দিয়ে 500 গ্রাম আখের গুড়( মিষ্টি অনুসারে) দিতে হবে। 

এইবার ভালো করে আমের সাথে সব উপকরণগুলো ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। 

আম নরম হয়ে গেলে লাল লংকার গুঁড়ো দিয়ে আবার ভালো করে আমের মিশ্রণটিকে ফুটিয়ে নিতে হবে। এর পরে 1 চামচ ভিনিগার দিয়ে আরো মিনিট পাঁচেক (5 মিনিট) ফুটিয়ে, আগে থেকে ভেজে রাখা মেথি,জিরে,মৌরি, মসলাগুলো দিয়ে মিশিয়ে নিলেই তৈরী হয়ে যাবে গরমের স্বাদিষ্ট, মুখরোচক গুড় আম।

 বানিয়ে খেয়ে কেমন লাগলো সেটা জানাতে ভুলবেন না।

   ওই ভালোলাগাটুকুই আমার পাওনা।

     সাথে একটু তৃপ্তির হাসি।

  <----আদ্যনাথ রায় চৈধুরী--->

==========================


তেঁতোর ডাল::--

   তেঁতোর ডাল::--

মুখরোচক সোনা মুগের ডাল শিউলি পাতা দিয়ে::--



ডাল তো অনেক খেয়েছেন

এবার না হয় একটু অন্য রকম খেলেন।

ভালো লাগলে লাইক পাঠাবেন আর 

ভালো না লাগলে লুকিয়ে  -লা-লি র জন্য জায়গা খালি রাখলাম।


আজকের রেসিপি---

গরম ভাতে তেঁতোর ডাল;:--


সোনা মুগের ডাল শিউলি পাতা দিয়ে::--


উপকরণ::--


1>সোনা মুগ ডাল (কাঁচা)-100 গ্রাম, 

2>সর্ষের তেল 1চমচম,

3> কালো সর্ষে- আধা চা চামচ, 

4>আদা বাটা-আধা চা চামচ, 

5>-নুন (স্বাদমতো),

6>কচি শিউলি পাতা-5 বা 6টি, 

 ভালোকরে ধুয়ে পাতা গুলো টুকরো করে কেটে নিতে হবে।

7>ঘি-2 চামচ, 

8>কাঁচা লঙ্কা-3,4টি(ঝাল সনুসারে)


প্রণালী::--


কাঁচা সোনা মুগের ডাল 100গ্রাম নিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।

তারপরে কড়াইতে এই মুগ ডাল ভালো করে সিদ্ধ করে নিতে হবে। 

(ডাল সেদ্ধ করার সময় যে ফেনা গুলি ভাসবে সে গুলি সাবধানে তুলে নিয়ে ফেলে দিতে হবে।)


এবার আর একটি কড়াইতে একচামচ সর্ষের তেল দিয়ে, গরম করে তাতে আধা চামচ কালো সর্ষে ও 2টি কাঁচা লঙ্কা ফোঁড়ন দিয়ে একটু নেড়ে-চেড়ে তাতে টুকরো করে কেটে রাখা শিউলি পাতা গুলো দিয়ে ভালো করে  নাড়তে হবে, যেন পাতাগুলো  পুড়ে না যায়, পাতা গুলো

ভাজা ভাজা হলে তাতে সামান্য নুন ও আধা চামচ আদাবাটা দিয়ে আবার ভালো করে কষিয়ে নিয়ে তাতে  সিদ্ধ করে রাখা সোনা মুগডাল ডাল দিয়ে একটু (প্রয়োজন মতন) গরম জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে।

এবার নামাবার আগে সামান্য ঘি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

গরম গরম ভাতের সাথে খেলেই বুঝবেন কেমন অপূর্ব দ্বাদ।

এডাল তেতো নয় গরম গরম ভাতে অমৃতের স্বাদ।

           <--আদ্যনাথ-->

===========================



> দধি কর্মা;;-++শীতল ভোগ বা ( রচনা)

    1>  দধি কর্মা;;--


উপকরণ:--

   মিষ্টি দই,200 গ্রাম

    খৈ-- 1 কাপ

   চিড়ে---1 কাপ

   পাকা কলা --2 টি

  বাতাসা-----100 গ্রাম


প্রথমে খৈ এর ধান বেছে নিতে হবে,

চিড়ে তে একটু জল দিয়ে ধুঁয়ে সাথে সাথে জল চেকে নিতে হবে।


এবারে একটি বড় বোলে প্রথমে ভেজা চিড়ে দিয়ে তার উপরে খৈ সাজিয়ে দিয়ে

তার উপরে দই দিয়ে সাজিয়ে দুটি কলা ছুলে দুই পাশে সাজিয়ে তার সাথে বাতাস দিয়ে সাজিয়ে  রেখে দিয়ে শোতে দেখিয়ে নিতে হবে।

এবারে পরিবেশন করার আগে সবগুলি একসাথে ভালোকরে হালকা হাতে মেখে পরিবেশন করতে হবে।

======================

    2>শীতল ভোগ বা ( রচনা)

   

     উপকরন::--

    গোটা ছোলা :-1/2 আধা কাপ(ছোট  

         কাপের)

        ( কাবলি ছোলা নয়)

    মুগ ডাল ::- 1/2 আধা কাপ

     কলা -----2 টি

     চিনি ----2 চা চামচ

    নারকেল কোড়া---1/2 আধা কাপ


ছোলা আগের দিন রাত্রে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

মুগ ডাল সকালে ভালোকরে ধুঁয়ে নিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

ঠাকুরের সুন্দর স্টীলের থালায়  

সকল কিছু ( ভেজা ছোলা, ভেজা মুগডাল , কলা, চিনি, নারকেল কোড়া)   ভাগ ভাগ করে সাজিয়ে রেখে শো তে দেখতে হবে।

তারপরে পরিবেশনের সময় সকল কিছু একসাথে মেখে নিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

==================