চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার,এলার্জি হবে না।

 

চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার,এলার্জি হবে না।
1>চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার
2>সজনে ফুলের পোস্ত ::--
3> || মুখরোচক সজনে পাতার ভাজি
========================

1>চিংড়ি মাছে বেকিং পাউডার,এলার্জি হবে না।
চিংড়ি মাছ সেদ্ধ করার সময় জলে একটু বেকিং পাউডার মিশিয়ে দিলে চিংড়ি মাছ সেদ্ধ হবে ভাল, শক্ত হবে না আর যাদের এলার্জি আছে তাদেরও কোন অসুবিধা বা এলার্জি হবে না।

চিংড়ি মাছ খেতে ভালবাসেন? এই মাছ রাঁধার সময় কোন ভুলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে?

Side Effects Of Eating Prawn
চিংড়ি মাছের খোলসের নীচে এই কালো শিরায় শরীরের নানা বর্জ্য পদার্থগুলি জমা থাকে। শিরাটি ভাল ভাবে পরিষ্কার না করে এই মাছ খেলে আপনার অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে।
শুধু তা-ই নয়, এর ফলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে।

কী ভাবে চিংড়ি মাছ সহজে পরিষ্কার করবেন?

১) বাজার থেকে আনা চিংড়ি মাছ ভাল করে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন। অনেক সময় চিংড়ি মাছের হালকা গন্ধ থাকে। সে ক্ষেত্রে গন্ধ দূর করতে মাছগুলি ভিনিগার জলে মিনিট ১৫ ডুবিয়ে রাখতে পারেন।

২) ভাল করে জল ঝরিয়ে মাথা, পা ও লেজ বাদ দিয়ে দিন। এ বার একটি টুথপিকের সাহায্যে চিংড়ি মাছের পিঠের দিকে কালো শিরাটি বার করে নিন।

৩) এ বার অনেকটা নুন জলে চিংড়ি মাছ ডুবিয়ে রেখে ভাল করে পরিষ্কার করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিলে মাস খানেক নষ্ট হবে না সাধের চিংড়ি মাছ।
========================

2>সজনে ফুলের পোস্ত ::--

উপকরণ

সজনে ফুল – ১00গ্রাম,
আলু –১০০গ্রাম ছোট ছোট চৌকোকরে কাটা,
পেঁয়াজ – ১০০/ ১৫০ গ্রাম (কুচোনো)
কাঁচা লঙ্কা – ২ টা (কুচোনো)
পোস্ত বাটা – ২-৩ টেবিল চামচ
লাল লংকাগুড়ো – ১ চা চামচ
হলুদ গুড়ো – ১/২(আধা)  চা চামচ
কালো জিরে – ১/২(আধা) চা চামচ
সরষের তেল – ৪- ৫ টেবিল চামচ
নুন স্বাদ অনুযায়ী,

পদ্ধতি
পুরোটা রান্নাটা হাল্কা আঁচে একটু ধৈর্য ধরে করতে হবে।

সজনে ফুলগুলি  বেছে ভলোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ঝুড়ির মধ্যে রেখে, জল ঝরিয়ে ভালোভাবে শুকনো করে নিতে হবে।
কিছুটা সরষের তেল কড়াইতে গরম করে, তাতে কালো জিরে ফোড়ন দিতে হবে। একটু নাড়াচারা করার পর যখন কালো জিরের একটা সুগন্ধ বের হবে ঠিক সেই সময় পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচালঙ্কা কুচি তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে।

পেঁয়াজ ভাজতে ভাজতে যখন হাল্কা রং ধরতে শুরু করবে, তখন টুকরো করা আলু ও সামান্য নুন কড়াইতে দিতে হবে। আলুর সাথে নুন দেওয়ার কারণ হলো আলু যাতে তাড়াতাড়ি নরম হয়। আলুটা কিছুক্ষণ ধরে চাপা দিয়ে ভাজতে হবে। আলুটা যখন একটু নরম হয়ে আসবে তখন সজনে ফুল ওই তেলের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে,

সজনে ফুলটা একটু ভাজা ভাজা হয়ে গেলে তাতে নুন,হলুদ ও পোস্তবাটা মিশিয়ে ভালোভাবে কয়েক মিনিট ধরে কষতে হবে। এরপর সামান্য জল মিশিয়ে চাপা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে। সবকিছু ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে গেলে কড়াই থেকে নামিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে খেতে দারুন মজা।
==========================

    3> || মুখরোচক সজনে পাতার ভাজি ||
সজনে পাতা+ পিয়াজ কুচি+ নুন
মিশিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
আরেকটি কড়াইতে  তেল দিয়ে তাতে শুকনো লঙ্কা একটু ভেজে নিয়র + তার সাথে পিয়াজ কুচি + একটু বেশি পরিমাণে রশুন কুচি মিশিয়ে একটু সোনালী করে ভেজে নিজে + তার সাথে সেদ্ধ করা সজনে পাতা দিয়ে একটু প্রয়োজন মতন নুন দিয়ে ভেজে নিতে হবে।
ব্যাস হয়েজাবে মুখরোচক সজনে পাতার ভাজি।
=======================

No comments:

Post a Comment