Post-21==आलू-पुदीना+पुदीना चटनी+=सोया आमलेट ===>( 184 to 197 )
184>चटपटा आलू-पुदीना
==========================================
184>चटपटा आलू-पुदीना
सामग्री :
250 ग्राम आलू, पुदीना आधा कटोरी, 3-4 हरी मिर्च, अदरक 1 छोटी गाँठ, जीरा 1/4 चम्मच, नमक स्वादानुसार, घी आधा बड़ा चम्मच।
विधि :
सबसे पहले आलुओं को उबाल कर, छीलकर आधे इंच के टुकड़ों में काट लें। पुदीने को साफ करके हरी मिर्च और अदरक के साथ पीसकर पेस्ट बना लें।
गर्म घी में जीरा तड़काएँ तथा पुदीना, अदरक और हरी मिर्च का पेस्ट डालें। जब पेस्ट भुन जाए तो आलू और नमक डालकर 3 मिनट तक धीमी आँच पर ढँक कर पकाएँ। गर्म-गर्म पराठों के साथ तैयार चटपटा आलू-पुदीना पेश करें।
==============================================
185>गाठिए-पुदीना चटनी
सामग्री :भावनगरी सेव पाव कप, पुदीना 10-15 पत्ते, हरा धनिया पाव कप, हरी मिर्च 3-4, किसा हुआ अदरक 1 टी स्पून, दही 2 टेबल स्पून, नमक-चीनी स्वादानुसार, तेल एक टेबल स्पून, हल्दी चुटकी भर, राई, जीरा व हींग तड़के के लिए।
विधि :
चटनी बनाने के लिए सेव, पुदीना, हरा धनिया, हरीमिर्च, अदरक, दही, नमक और चीनी मिलाकर मिक्सी में महीन पीस लें।
अब तेल में राई, जीरा व हींग का तड़का लगाकर उसमें हल्दी डालें और यह तड़का चटनी में डालकर पेश करें।
=================================================
186>सोया आमलेट
सामग्री :
250 ग्राम सोयाबीन की दाल, 50 ग्राम चावल, 2-3 पके टमाटर, 100 ग्राम पालक, 2 प्याज, नमक, गरम मसाला अंदाज से, हरा धनिया, हरी मिर्च व तेल।
विधि :
दाल व चावल को धोकर रात को पानी में भिगो दें। सुबह पीसकर, बारीक काटकर प्याज, टमाटर, पालक, धनिया, मिर्च, नमक व गरम मसाला मिला दें। खूब अच्छे से फेंट लें। तवे या फ्राइंगपेन में चिकनाई लगाकर दो चम्मच घोल डालकर फैलाएँ।
आमलेट की तरह सेंकें या फ्राई करें। सुबह-सुबह किया गया यह नाश्ता पूर्ण तरह से पौष्टिक होगा।
=========================================
187> কর্ন পকোড়া
(3 জনের জন্য )
সামগ্রী --
পিয়াজ -1টি
কাঁচা লঙ্কা -1-বা 2 টি
রশুন -4 কলি
ধনেপাতা -একমুঠ
সুইট কর্ন -1 কাপ
ময়দা -2 চা - চামচ -
কর্নফ্লাওয়ার -1 চামচ
নুন -স্বাদ অনুসারে
গোলমরিচ -স্বাদনুসার
তেল -আবশ্যক অনুসারে
প্রণালী ---
পিয়াজ, কাঁচালঙ্কা ,লবঙ্গ ,ধনেপাতা ,সামান্য জল দিয়ে ভালোকরে পিষে নিতে হবে।
এই পেস্টে সুইট কর্ন ,ময়দা ,কর্নফ্লাওয়ার ,নুন ,এবং গোলামরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে
হবে। মিশ্রণ যেন ঘন হয়।
কড়াই তে তেল গরম হলে সামান্য লাল করে পকোড়া ভাজে তুলে নিতে হবে।
এবং গর্মাগরম কর্ন পকোড়া নিজের পছন্দ মতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন।
============================================================
188>ভুট্টার কাবাব ;;--
(-৪ (চার )-জনের জন্য )
সামগ্রী ;;--
ভুট্টার দানা - ২ কাপ
আলু সেদ্ধ ( ম্যাস্ট করা )- ১/২ কাপ
চিজ - ২ চামচ
কাঁচা লঙ্কা (কাটা )-২ টি
আদা ( গ্রেড করা )-২ চামচ
গোলমরিচ -১/২ চামচ গরমমশলা পাউডার -১/২ চামচ
জয়ত্রী পাউডার -একচুটকি
পদিনা পাতা বাটা -২ চামচ
নুন -স্বাদমতো তেল -৪ (চার ) চামচ
প্রণালী ;;---
ভুট্টার দানা একটু মোটা মোটা করে ভেঙে নিতে হবে।
একটি বাটি বা প্যানে গুঁড়ো করা ভুট্টার দানা নিয়ে তাতে উপর সামগ্রী র সকল মশলা ( তেল বাদে )
একসাথে মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। মিশ্রণ টি কে সমান সমান ভাগে ভাগ করে কাবাবের
মতো গোল গোল মোটা লম্বা আকারে তৈরি করে নিতে হবে।
এবারে নন স্টিক প্যানে তেল গরম করে হালকা আঁচে সুন্দর লাল লাল করে ভেজে নিতে হবে।
ব্যস তৈরী হয়ে গেলো ভুট্টার কাবাব।
পুদিনার চাটনি র সাথে পরিবেশন করুন ,গড়মা গরম ভুট্টার কাবাব।
===========================================================
189> ভুট্টা বাটার চটপটা ;;--
a=ভুট্টার দানা ছাড়িয়ে নিতে হবে। একটি প্যানে পরিমান মত বাটার ( মাখন ) নিয়ে গরম করে
তাতে কর্র্ন ,নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো ,ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ঢাকনা দিয়ে দুই তিন মিনিট
সেদ্ধ করে নিতে হবে। এবারে গ্যাস অফ করে একটু লেবুর রস এবং চাট মশলা মিশিয়ে সার্ভ
করতে হবে।
b= আস্ত ভুট্টার বানানো চলে ;-
আস্ত ভুট্টার বানাতে হলে পুরো ভূট্টাটি না ছাড়িয়ে প্যানে জল নিয়ে জল ফুটিয়ে , জল ফুটে
উঠলে তাতে আস্ত ভুট্টা টি দিয়ে ঢেকে ৫-৭ (পাঁচ ,সাত ) মিনিট সেদ্ধ করে নিতে হবে।
তারপরে ভুট্টাটি তুলে নিয়ে তাতে উপরে বর্ণিত সকল মশলা মাখিয়ের সার্ভ করতে হবে।
বিঃ দ্রঃ --ভুট্টা বেশি সেদ্ধ করলে ভুট্টা শক্ত হয়ে যায় এবং স্বাদ ও কমে যায়।
ভুট্টা খেতে স্বাদিষ্ট ,পাচন শক্তি বর্ধক , ভুট্টা খেলে বেশি সময় পর্যন্ত খিদে পায়না।
ভুট্টা শরীরের ওজন কম করতে সাহায্য করে।
ভুট্টাতে আন্টি অক্সিডেন্ট এবং অন্য নানা রাসায়নিক বর্তমান যা কিনা ক্যান্সার
রোধ করে।
==============================================================
190>পালং কর্র্ন ;;-
সামগ্রী ;;--
পালং পিউরি -৩/৪ কাপ ( চারভাগের তিন ভাগ )
পালং সাগ-১ /2 কাপ (কুঁচি করে কাটা এবং সেদ্ধ করা )
ভুট্টার দানা (সেদ্ধ করা )- ১ কাপ
ঘী -১/২ চামচ
জিরা -১/২ চামচ
রসুন -২ চামচ (ছোট ছোট করে কাটা )
কাঁচা লঙ্কা -২ টি (ছোট ছোট করে কাটা )
আদা -১ চামচ (গ্রেড করা )
নুন -স্বাদ মত
ক্র্রীম -২ চামচ
গরমমশলা -পাউডার -১/৪ চামচ
লাল লংকার গুঁড়ো -১/২ চামচ
প্রণালী ;;---
ননস্টিক প্যানে ঘী গরম করে তাতে জিরা ফোড়ন দিয়ে তাতে রসুন ,কাঁচা লঙ্কা ,আদা দিয়ে একটু
ভেজে নিয়ে তাতে পালং পিউরি, পালং সাগ , ভুট্টার দানা। নুন , সামান্য চিনি ,১/৪ কাপ জল
দিয়ে তাতে ক্রীম ,গরমমশলা -পাউডার,লাল লংকার গুঁড়ো মিশিয়ে অল্প আঁচে সেদ্ধ করতে
হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে রুটি বা পরোটা র সাথে সার্ভ করুন।
=============================================================
191>ভুট্টা বেদানার চার্ট ;;-
সামগ্রী ;;--
ভুট্টার দানা -১/২ কাপ ( সেদ্ধ করা )
বেদনার দানা -১/২ কাপ
পুদিনা - আন্দাজ মত (খুব ছোট ছোট কাটা )
কেপ্সিকাম -১ টি
তেতুলের কাথ -৩ চামচ
নুন -স্বাদমতো
মাস্টার্ড সস -৩ চামচ
চাট মশলা -১ চামচ
শুকন বোঁদে -১ ছোট কাপ ( মিষ্টি ছাড়া )
ধোনে পাতা কুঁচি -সামান্য
ভাজা জিরে পাউডার -১/২ চামচ
লাল লংকার গুঁড়ো -আন্দাজ মতো
লেবুর রস -১ চামচ
প্রণালী ;;---
ক্যাপ্সিকামের বিচি বারকরে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে।
একটি মিক্সসিং বোলে ভুট্টা সেদ্ধ ,বেদনার দানা ,পুঁদিনা ,এবং ক্যাপ্সিকাম ,মিশিয়ে নিয়ে তাতে
তেতুলের কাথ ,নুন,মাস্টার্ড সস, চাট মশলা ,বোঁদে ,ধোনে পাতা ,জিরা পাউডার , লাল লংকার
গুঁড়ো ,লেবুর রস , মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে
=============================================================
192>রেসিপিঃ ফুলকপি বোনলেস চিকেন ( অথবা কঁচি পাঁঠার মাংস )
উপকরনঃ
হাফ কেজি হাড্ডি ছাড়া (বোনলেস) চিকেন ( অথবা বোনলেস কঁচি পাঁঠার মাংস )
– ফুল কপি ছোট সাইজ একটা
– পেঁয়াজ কুঁচি হাফ কাপ
– গুঁড়ো শুকনো লংকা – ১ চামচ (ঝাল বুঝে)
– গুড়া হলুদ – ১ চা চামচ
– সামান্য রসুন বাটা ২ চা চামচ
– আদা বাটা বা পেষ্ট ১ টেবিল চামচ
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া
– গরম মশলা (এলাচি ৪ টা, দারুচিনি ৩ টুকরা)
– পরিমান মত নুন / জল
– পরিমান মত তেল
– হাফ চা চামচ চিনি
– কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা
– ভাজা জিরা গুড়া হাফ চা চামচ (আস্ত জিরা ভেজে গুড়া করে নেয়া)
প্রনালীঃ
ফুলকপি সামান্য লবন দিয়ে হালকা সিদ্ব করে নিন।
বোনলেস চিকেন সামান্য লবন এবং হলুদ দিয়ে সিদ্ব করে জল ঝরিয়ে পাতলা করে কেটে নিন।
তেল গরম করে তাতে সামান্য নুন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভাঁজতে থাকুন। এবং ভাজা পেঁয়াজে জিরা গুড়া ছাড়া বাকী সব মশলা দিয়ে দিন এবং এক কাপ জল যোগে ভাল করে কষিয়ে তেল উপরে উঠিয়ে নিন।
ঝোলে তেল উঠে গেলে প্রথমে মাংস দিয়ে দিন।
ভাল করে মিশিয়ে দুই কাপ জল দিয়ে দিন।
এবার হালকা আঁচে মিনিট ত্রিশেক ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। হাফ চা চামচ চিনি দিয়ে দিন (চিনি না দিলেও কিছু যায় আসবে না!)
184>चटपटा आलू-पुदीना
185>गाठिए-पुदीना चटनी
186>सोया आमलेट
187> কর্ন পকোড়া
188>ভুট্টার কাবাব ;;--
189> ভুট্টা বাটার চটপটা ;;--
190>পালং কর্র্ন ;;-
191>ভুট্টা বেদানার চার্ট ;;-
194>রেসিপিঃ কলার আনাজ (থোড়) ও থানকুনি পাতা (নিরামিষ)
195>রেসিপিঃ কলার মোচা ভুনা
196>केले के तने के ये फायदे जानकर आप भी आश्चर्य में पड़ जाएंगे:(থোড় )
197>हेल्दी रेसिपी: बाजरा मसाला कटलेट
186>सोया आमलेट
187> কর্ন পকোড়া
188>ভুট্টার কাবাব ;;--
189> ভুট্টা বাটার চটপটা ;;--
190>পালং কর্র্ন ;;-
191>ভুট্টা বেদানার চার্ট ;;-
192>রেসিপিঃ ফুলকপি বোনলেস চিকেন ( অথবা কঁচি পাঁঠার মাংস )
193>রেসিপিঃ বাঁধা কপি ভাঁজি, 194>রেসিপিঃ কলার আনাজ (থোড়) ও থানকুনি পাতা (নিরামিষ)
195>রেসিপিঃ কলার মোচা ভুনা
196>केले के तने के ये फायदे जानकर आप भी आश्चर्य में पड़ जाएंगे:(থোড় )
197>हेल्दी रेसिपी: बाजरा मसाला कटलेट
==========================================
184>चटपटा आलू-पुदीना
सामग्री :
250 ग्राम आलू, पुदीना आधा कटोरी, 3-4 हरी मिर्च, अदरक 1 छोटी गाँठ, जीरा 1/4 चम्मच, नमक स्वादानुसार, घी आधा बड़ा चम्मच।
विधि :
सबसे पहले आलुओं को उबाल कर, छीलकर आधे इंच के टुकड़ों में काट लें। पुदीने को साफ करके हरी मिर्च और अदरक के साथ पीसकर पेस्ट बना लें।
गर्म घी में जीरा तड़काएँ तथा पुदीना, अदरक और हरी मिर्च का पेस्ट डालें। जब पेस्ट भुन जाए तो आलू और नमक डालकर 3 मिनट तक धीमी आँच पर ढँक कर पकाएँ। गर्म-गर्म पराठों के साथ तैयार चटपटा आलू-पुदीना पेश करें।
==============================================
185>गाठिए-पुदीना चटनी
सामग्री :भावनगरी सेव पाव कप, पुदीना 10-15 पत्ते, हरा धनिया पाव कप, हरी मिर्च 3-4, किसा हुआ अदरक 1 टी स्पून, दही 2 टेबल स्पून, नमक-चीनी स्वादानुसार, तेल एक टेबल स्पून, हल्दी चुटकी भर, राई, जीरा व हींग तड़के के लिए।
विधि :
चटनी बनाने के लिए सेव, पुदीना, हरा धनिया, हरीमिर्च, अदरक, दही, नमक और चीनी मिलाकर मिक्सी में महीन पीस लें।
अब तेल में राई, जीरा व हींग का तड़का लगाकर उसमें हल्दी डालें और यह तड़का चटनी में डालकर पेश करें।
=================================================
186>सोया आमलेट
सामग्री :
250 ग्राम सोयाबीन की दाल, 50 ग्राम चावल, 2-3 पके टमाटर, 100 ग्राम पालक, 2 प्याज, नमक, गरम मसाला अंदाज से, हरा धनिया, हरी मिर्च व तेल।
विधि :
दाल व चावल को धोकर रात को पानी में भिगो दें। सुबह पीसकर, बारीक काटकर प्याज, टमाटर, पालक, धनिया, मिर्च, नमक व गरम मसाला मिला दें। खूब अच्छे से फेंट लें। तवे या फ्राइंगपेन में चिकनाई लगाकर दो चम्मच घोल डालकर फैलाएँ।
आमलेट की तरह सेंकें या फ्राई करें। सुबह-सुबह किया गया यह नाश्ता पूर्ण तरह से पौष्टिक होगा।
=========================================
187> কর্ন পকোড়া
(3 জনের জন্য )
সামগ্রী --
পিয়াজ -1টি
কাঁচা লঙ্কা -1-বা 2 টি
রশুন -4 কলি
ধনেপাতা -একমুঠ
সুইট কর্ন -1 কাপ
ময়দা -2 চা - চামচ -
কর্নফ্লাওয়ার -1 চামচ
নুন -স্বাদ অনুসারে
গোলমরিচ -স্বাদনুসার
তেল -আবশ্যক অনুসারে
প্রণালী ---
পিয়াজ, কাঁচালঙ্কা ,লবঙ্গ ,ধনেপাতা ,সামান্য জল দিয়ে ভালোকরে পিষে নিতে হবে।
এই পেস্টে সুইট কর্ন ,ময়দা ,কর্নফ্লাওয়ার ,নুন ,এবং গোলামরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে
হবে। মিশ্রণ যেন ঘন হয়।
কড়াই তে তেল গরম হলে সামান্য লাল করে পকোড়া ভাজে তুলে নিতে হবে।
এবং গর্মাগরম কর্ন পকোড়া নিজের পছন্দ মতো সস দিয়ে পরিবেশন করুন।
============================================================
188>ভুট্টার কাবাব ;;--
(-৪ (চার )-জনের জন্য )
সামগ্রী ;;--
ভুট্টার দানা - ২ কাপ
আলু সেদ্ধ ( ম্যাস্ট করা )- ১/২ কাপ
চিজ - ২ চামচ
কাঁচা লঙ্কা (কাটা )-২ টি
আদা ( গ্রেড করা )-২ চামচ
গোলমরিচ -১/২ চামচ গরমমশলা পাউডার -১/২ চামচ
জয়ত্রী পাউডার -একচুটকি
পদিনা পাতা বাটা -২ চামচ
নুন -স্বাদমতো তেল -৪ (চার ) চামচ
প্রণালী ;;---
ভুট্টার দানা একটু মোটা মোটা করে ভেঙে নিতে হবে।
একটি বাটি বা প্যানে গুঁড়ো করা ভুট্টার দানা নিয়ে তাতে উপর সামগ্রী র সকল মশলা ( তেল বাদে )
একসাথে মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। মিশ্রণ টি কে সমান সমান ভাগে ভাগ করে কাবাবের
মতো গোল গোল মোটা লম্বা আকারে তৈরি করে নিতে হবে।
এবারে নন স্টিক প্যানে তেল গরম করে হালকা আঁচে সুন্দর লাল লাল করে ভেজে নিতে হবে।
ব্যস তৈরী হয়ে গেলো ভুট্টার কাবাব।
পুদিনার চাটনি র সাথে পরিবেশন করুন ,গড়মা গরম ভুট্টার কাবাব।
===========================================================
189> ভুট্টা বাটার চটপটা ;;--
a=ভুট্টার দানা ছাড়িয়ে নিতে হবে। একটি প্যানে পরিমান মত বাটার ( মাখন ) নিয়ে গরম করে
তাতে কর্র্ন ,নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো ,ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ঢাকনা দিয়ে দুই তিন মিনিট
সেদ্ধ করে নিতে হবে। এবারে গ্যাস অফ করে একটু লেবুর রস এবং চাট মশলা মিশিয়ে সার্ভ
করতে হবে।
b= আস্ত ভুট্টার বানানো চলে ;-
আস্ত ভুট্টার বানাতে হলে পুরো ভূট্টাটি না ছাড়িয়ে প্যানে জল নিয়ে জল ফুটিয়ে , জল ফুটে
উঠলে তাতে আস্ত ভুট্টা টি দিয়ে ঢেকে ৫-৭ (পাঁচ ,সাত ) মিনিট সেদ্ধ করে নিতে হবে।
তারপরে ভুট্টাটি তুলে নিয়ে তাতে উপরে বর্ণিত সকল মশলা মাখিয়ের সার্ভ করতে হবে।
বিঃ দ্রঃ --ভুট্টা বেশি সেদ্ধ করলে ভুট্টা শক্ত হয়ে যায় এবং স্বাদ ও কমে যায়।
ভুট্টা খেতে স্বাদিষ্ট ,পাচন শক্তি বর্ধক , ভুট্টা খেলে বেশি সময় পর্যন্ত খিদে পায়না।
ভুট্টা শরীরের ওজন কম করতে সাহায্য করে।
ভুট্টাতে আন্টি অক্সিডেন্ট এবং অন্য নানা রাসায়নিক বর্তমান যা কিনা ক্যান্সার
রোধ করে।
==============================================================
190>পালং কর্র্ন ;;-
সামগ্রী ;;--
পালং পিউরি -৩/৪ কাপ ( চারভাগের তিন ভাগ )
পালং সাগ-১ /2 কাপ (কুঁচি করে কাটা এবং সেদ্ধ করা )
ভুট্টার দানা (সেদ্ধ করা )- ১ কাপ
ঘী -১/২ চামচ
জিরা -১/২ চামচ
রসুন -২ চামচ (ছোট ছোট করে কাটা )
কাঁচা লঙ্কা -২ টি (ছোট ছোট করে কাটা )
আদা -১ চামচ (গ্রেড করা )
নুন -স্বাদ মত
ক্র্রীম -২ চামচ
গরমমশলা -পাউডার -১/৪ চামচ
লাল লংকার গুঁড়ো -১/২ চামচ
প্রণালী ;;---
ননস্টিক প্যানে ঘী গরম করে তাতে জিরা ফোড়ন দিয়ে তাতে রসুন ,কাঁচা লঙ্কা ,আদা দিয়ে একটু
ভেজে নিয়ে তাতে পালং পিউরি, পালং সাগ , ভুট্টার দানা। নুন , সামান্য চিনি ,১/৪ কাপ জল
দিয়ে তাতে ক্রীম ,গরমমশলা -পাউডার,লাল লংকার গুঁড়ো মিশিয়ে অল্প আঁচে সেদ্ধ করতে
হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে রুটি বা পরোটা র সাথে সার্ভ করুন।
=============================================================
191>ভুট্টা বেদানার চার্ট ;;-
সামগ্রী ;;--
ভুট্টার দানা -১/২ কাপ ( সেদ্ধ করা )
বেদনার দানা -১/২ কাপ
পুদিনা - আন্দাজ মত (খুব ছোট ছোট কাটা )
কেপ্সিকাম -১ টি
তেতুলের কাথ -৩ চামচ
নুন -স্বাদমতো
মাস্টার্ড সস -৩ চামচ
চাট মশলা -১ চামচ
শুকন বোঁদে -১ ছোট কাপ ( মিষ্টি ছাড়া )
ধোনে পাতা কুঁচি -সামান্য
ভাজা জিরে পাউডার -১/২ চামচ
লাল লংকার গুঁড়ো -আন্দাজ মতো
লেবুর রস -১ চামচ
প্রণালী ;;---
ক্যাপ্সিকামের বিচি বারকরে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে।
একটি মিক্সসিং বোলে ভুট্টা সেদ্ধ ,বেদনার দানা ,পুঁদিনা ,এবং ক্যাপ্সিকাম ,মিশিয়ে নিয়ে তাতে
তেতুলের কাথ ,নুন,মাস্টার্ড সস, চাট মশলা ,বোঁদে ,ধোনে পাতা ,জিরা পাউডার , লাল লংকার
গুঁড়ো ,লেবুর রস , মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে
=============================================================
192>রেসিপিঃ ফুলকপি বোনলেস চিকেন ( অথবা কঁচি পাঁঠার মাংস )
উপকরনঃ
হাফ কেজি হাড্ডি ছাড়া (বোনলেস) চিকেন ( অথবা বোনলেস কঁচি পাঁঠার মাংস )
– ফুল কপি ছোট সাইজ একটা
– পেঁয়াজ কুঁচি হাফ কাপ
– গুঁড়ো শুকনো লংকা – ১ চামচ (ঝাল বুঝে)
– গুড়া হলুদ – ১ চা চামচ
– সামান্য রসুন বাটা ২ চা চামচ
– আদা বাটা বা পেষ্ট ১ টেবিল চামচ
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া
– গরম মশলা (এলাচি ৪ টা, দারুচিনি ৩ টুকরা)
– পরিমান মত নুন / জল
– পরিমান মত তেল
– হাফ চা চামচ চিনি
– কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা
– ভাজা জিরা গুড়া হাফ চা চামচ (আস্ত জিরা ভেজে গুড়া করে নেয়া)
প্রনালীঃ
ফুলকপি সামান্য লবন দিয়ে হালকা সিদ্ব করে নিন।
বোনলেস চিকেন সামান্য লবন এবং হলুদ দিয়ে সিদ্ব করে জল ঝরিয়ে পাতলা করে কেটে নিন।
তেল গরম করে তাতে সামান্য নুন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভাঁজতে থাকুন। এবং ভাজা পেঁয়াজে জিরা গুড়া ছাড়া বাকী সব মশলা দিয়ে দিন এবং এক কাপ জল যোগে ভাল করে কষিয়ে তেল উপরে উঠিয়ে নিন।
ঝোলে তেল উঠে গেলে প্রথমে মাংস দিয়ে দিন।
ভাল করে মিশিয়ে দুই কাপ জল দিয়ে দিন।
এবার হালকা আঁচে মিনিট ত্রিশেক ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। হাফ চা চামচ চিনি দিয়ে দিন (চিনি না দিলেও কিছু যায় আসবে না!)
ঝোল কমে এলে এবং মাংস নরম হয়ে গেলে এবার ফুল কপি গুলো দিয়ে দিন।
ঝোল কম হলে আরো কিছু গরম জল আপনার ইচ্ছানুযায়ী দিতে পারেন এবং আবারো ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষন রাখুন। মাঝে মাঝে উলটে পাল্টে দিন।
কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা দিলে মন্দ হবে না। কিন্তু এবার হচ্ছে আসল খেলা! আস্ত জিরা ভেজে গুড়া করে সেই জিরা গুড়া তরকারীর উপর ছিটিয়ে দিন এবং মিশিয়ে নিন। গ্যাস বন্ধ করে দিন। তেল উঠে আসার জন্য অপেক্ষা করুন।
ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
ঝোল কম হলে আরো কিছু গরম জল আপনার ইচ্ছানুযায়ী দিতে পারেন এবং আবারো ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষন রাখুন। মাঝে মাঝে উলটে পাল্টে দিন।
কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা দিলে মন্দ হবে না। কিন্তু এবার হচ্ছে আসল খেলা! আস্ত জিরা ভেজে গুড়া করে সেই জিরা গুড়া তরকারীর উপর ছিটিয়ে দিন এবং মিশিয়ে নিন। গ্যাস বন্ধ করে দিন। তেল উঠে আসার জন্য অপেক্ষা করুন।
ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
=====================================
193>রেসিপিঃ বাঁধা কপি ভাঁজি,
খুব সহজ এবং সাধারন এবং কম মশলায় রান্না। , পেঁয়াজ/রসুন কুচি বা বাটা ছাড়া এই রান্না!
উপকরনঃ
– একটা মাঝারি বাঁধাকপির হাফ (পাতলা করে ফালি করে কাটতে হবে)
– কয়েকটা চিংড়ি (সামান্য বেশি/কমে কি আসে যায়)
– এক চিমটি কালি জিরা
– জিরা গুড়া বা বাটা, হাফ চা চামচ
– লাল শুকনো লংকার গুড়া, হাফ চা চামচ (ঝাল বুঝে কম হতে পারে)
– হলুদ গুড়া, হাফ চা চামচ
– কয়েকটা কাচা লঙ্কা ফালি
– হাফ চামচের কম চিনি (চিনি না দিলে স্বাদ একটু ভিন্ন হয়, )
– ধনিয়া পাতার কুচি (এক চা চামচ বা বেশী)
– নুন , পরিমান মত (প্রথম ধাপে সামান্য, পরে সঠিক করে)
– তেল, যত কমে রান্না করা যায় তবে আমরা ৪/৫ টেবিল চামচ দিয়েছিলাম
– পানি, সামান্য
প্রনালীঃ
বাঁধাকপি এভাবে কুঁচে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
কড়াইতে তেল গরম করে এক চিমটি কালিজিরা ভাজুন। নুন দিয়ে দিন।
এবার গরম তেলে জিরা গুড়া/বাটা দিন এবং সামান্য ভেজে চিংড়ি দিন।
কাচা লংকার ফালি দিন।
আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে। হলুদ লঙ্কা গুড়া দিন। ভাজুন।
এবার হাফ কাপ জল । ভাজুন।
এবার বাঁধাকপির কুচি দিন।
ভাল করে মিশিয়ে দিন।
ঢাকনা দেবার আগে হাফ চামচ চিনি ছিটিয়ে দিন এবং মাধ্যম আছে মিনিট ১০-১৫ রাখুন। মাঝে নাড়িয়ে দিন কয়েকবার, লক্ষ রাখবেন যাতে কড়াইয়ের তলায় না লেগে যায়।
যারা একটু কচকচে খেতে চান তারা আগুন থামিয়ে দিতে পারেন, আর যারা একটু নরম চান তারা আর একটু আগুনে রাখতে পারেন।
ঠিক রান্না বাটিতে তুলে ফেলার আগে কিছু ধনিয়া পাতার কুচি ছিটিয়ে দিয়ে মিশিয়ে নিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত!
193>রেসিপিঃ বাঁধা কপি ভাঁজি,
খুব সহজ এবং সাধারন এবং কম মশলায় রান্না। , পেঁয়াজ/রসুন কুচি বা বাটা ছাড়া এই রান্না!
উপকরনঃ
– একটা মাঝারি বাঁধাকপির হাফ (পাতলা করে ফালি করে কাটতে হবে)
– কয়েকটা চিংড়ি (সামান্য বেশি/কমে কি আসে যায়)
– এক চিমটি কালি জিরা
– জিরা গুড়া বা বাটা, হাফ চা চামচ
– লাল শুকনো লংকার গুড়া, হাফ চা চামচ (ঝাল বুঝে কম হতে পারে)
– হলুদ গুড়া, হাফ চা চামচ
– কয়েকটা কাচা লঙ্কা ফালি
– হাফ চামচের কম চিনি (চিনি না দিলে স্বাদ একটু ভিন্ন হয়, )
– ধনিয়া পাতার কুচি (এক চা চামচ বা বেশী)
– নুন , পরিমান মত (প্রথম ধাপে সামান্য, পরে সঠিক করে)
– তেল, যত কমে রান্না করা যায় তবে আমরা ৪/৫ টেবিল চামচ দিয়েছিলাম
– পানি, সামান্য
প্রনালীঃ
বাঁধাকপি এভাবে কুঁচে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
কড়াইতে তেল গরম করে এক চিমটি কালিজিরা ভাজুন। নুন দিয়ে দিন।
এবার গরম তেলে জিরা গুড়া/বাটা দিন এবং সামান্য ভেজে চিংড়ি দিন।
কাচা লংকার ফালি দিন।
আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে। হলুদ লঙ্কা গুড়া দিন। ভাজুন।
এবার হাফ কাপ জল । ভাজুন।
এবার বাঁধাকপির কুচি দিন।
ভাল করে মিশিয়ে দিন।
ঢাকনা দেবার আগে হাফ চামচ চিনি ছিটিয়ে দিন এবং মাধ্যম আছে মিনিট ১০-১৫ রাখুন। মাঝে নাড়িয়ে দিন কয়েকবার, লক্ষ রাখবেন যাতে কড়াইয়ের তলায় না লেগে যায়।
যারা একটু কচকচে খেতে চান তারা আগুন থামিয়ে দিতে পারেন, আর যারা একটু নরম চান তারা আর একটু আগুনে রাখতে পারেন।
ঠিক রান্না বাটিতে তুলে ফেলার আগে কিছু ধনিয়া পাতার কুচি ছিটিয়ে দিয়ে মিশিয়ে নিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত!
============================================
194>রেসিপিঃ কলার আনাজ (থোড়) ও থানকুনি পাতা (নিরামিষ)
কিছু কিছু খাবার আছে যা জীবনে একবার খেলে আর মন থেকে মুছে ফেলা যায় না। তেমনি একটা খাবার হচ্ছে কলার আনাজ (থোড়) এবং থানকুনি পাতার রান্না। এবার গ্রামের বাড়ি গিয়ে দেখি বড় ভাই কোথা থেকে কলার আনাজ ও মোচা নিয়ে এসেছেন। আনাজ দেখে আমি আমার এক চাচীমাকে বললাম, কোথায় থানকুনি পাতা পাওয়া যাবে, তিনি প্রায় সাথে সাথেই একজনকে পাঠিয়ে কিছু থানকুনি পাতা যোগাড় করে দিলেন। এদিকে বড়ভাবীকে বললাম, এই কম্বিনেশনের রান্না তিনি খেয়েছেন কি না? তিনি জানালেন, তিনি খেয়েছেন এবং তিনি রান্না করবেন। যেই কথা সেই কাজ। তিনি রান্না করলেন।
উপকরণঃ
– আনাজ, ৪০০ গ্রাম (অনুমান) সিদ্ধ করার পর এই ওজন আমার মনে হয়েছিল
– মুসরী ডাল, ঘন্টা খানেক ভিজিয়ে রাখা ভাল
– থাকুনি পাতা (আদামনি পাতা)
– পেঁয়াজ কুঁচি
– রসুন দেশী
– মরিচ গুড়া
– হলুদ গুড়া
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ (না থাকলে নাই)
– লবন (লবন প্রথম চোটে কম দিবেন, পরে লাগলে দিবেন)
– তেল, তেল কমে রান্না করাই ভাল
প্রনালীঃ
আনাজ কেটে খাবার তৈরী করার জন্য একটু অভিজ্ঞতার দরকার। কেটে ভিতরের আঁশ বের করে আনতে একটা আঙ্গুলের ব্যবহার করতে হয়। এটা আগে কোন অভিজ্ঞ কারো কাছে দেখে নেয়া দরকার। যাই হোক, কেটে সামান্য হলুদ এবং লবন দিয়ে ভাল করে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।
মুল রান্না খুব সহজ এবং সাধারণ। কড়াইতে তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভেঁজে এবং পরে রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে ভেঁজে নিতে হবে
কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিলে ভাল। তার পর সামান্য পানি দিতে হবে। এবার ভিজিয়ে তুলে রাখা ডাল দিয়ে দিতে হবে।
ভাঁজুন।
হলুদ ও মরিচ গুড়া দিয়ে দিন
সামান্য জল দিন। ডাল নরম হতে শুরু করবে।
ডাল নরম না হলে আরো সামান্য জল দিতে পারেন।
এবার সিদ্ধ করে রাখা আনাজ দিয়ে দিন।
ভাল করে নাড়িয়ে ভাঁজুন।
এবার থানকুনি পাতা দিয়ে দিন।
ফাইন্যাল নুন দেখুন, লাগলে দিন। ভাল করে নাড়িয়ে ভেঁজে গ্যাস বন্ধ করে দিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
স্বাদ অসাধারণ। বিশেষ করে থানকুনি পাতা আমি অনেক দিন পরে খেয়েছি, বলতে গেলে থানকুনি পাতার স্বাদ ভুলে গিয়েছিলাম। এবার অনেকদিন পর সেই স্বাদ আবার ফিরে পেলাম।
195>রেসিপিঃ কলার মোচা ভুনা
উপকরনঃ
– কলার মোচার ( ফুল )বাটা
– পেঁয়াজ কুঁচি
– রসুন কুঁচি
– কয়েকটা শুকনা লঙ্কা
– এক চিমটি হলুদ গুড়া (সিদ্ব করার সময় ব্যবহার হবে)
– পরিমান মত তেল
– পরিমান মত নুন / জল
প্রনালীঃ
হলুদ গুড়া এবং নুন দিয়ে কলার মোচার ভিতরের ফুল গুলো সিদ্ব করে নিতে হবে।
এর পর বেঁটে পেষ্ট বানিয়ে নিতে হবে।
কড়াইতে তেল গরম করে তাতে সামান্য নুন যোগে পেয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি ও শুকনা লঙ্কা দিয়ে ভাল করে ভেজে নিতে হবে।
এবারে মোচার ( ফুল )বাটা দিয়ে দিন।
আবারো ভাল করে ভাজুন।
ব্যস প্রস্তুত হয়ে গেল কলার মোচার ( ফুল ) ভুনা।
(আমার কাছে তেমন একটা স্বাদ লাগে নাই। শিশুকালে মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ হয়ত এখনো মুখে লেগে আছে বলেই। আপনারা যদি কেহ কলার থোড়ের আরো ভাল রান্না জানেন তবে আমাকে জানাতে পারেন। আমি আবারো রান্না করব।)
194>রেসিপিঃ কলার আনাজ (থোড়) ও থানকুনি পাতা (নিরামিষ)
কিছু কিছু খাবার আছে যা জীবনে একবার খেলে আর মন থেকে মুছে ফেলা যায় না। তেমনি একটা খাবার হচ্ছে কলার আনাজ (থোড়) এবং থানকুনি পাতার রান্না। এবার গ্রামের বাড়ি গিয়ে দেখি বড় ভাই কোথা থেকে কলার আনাজ ও মোচা নিয়ে এসেছেন। আনাজ দেখে আমি আমার এক চাচীমাকে বললাম, কোথায় থানকুনি পাতা পাওয়া যাবে, তিনি প্রায় সাথে সাথেই একজনকে পাঠিয়ে কিছু থানকুনি পাতা যোগাড় করে দিলেন। এদিকে বড়ভাবীকে বললাম, এই কম্বিনেশনের রান্না তিনি খেয়েছেন কি না? তিনি জানালেন, তিনি খেয়েছেন এবং তিনি রান্না করবেন। যেই কথা সেই কাজ। তিনি রান্না করলেন।
উপকরণঃ
– আনাজ, ৪০০ গ্রাম (অনুমান) সিদ্ধ করার পর এই ওজন আমার মনে হয়েছিল
– মুসরী ডাল, ঘন্টা খানেক ভিজিয়ে রাখা ভাল
– থাকুনি পাতা (আদামনি পাতা)
– পেঁয়াজ কুঁচি
– রসুন দেশী
– মরিচ গুড়া
– হলুদ গুড়া
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ (না থাকলে নাই)
– লবন (লবন প্রথম চোটে কম দিবেন, পরে লাগলে দিবেন)
– তেল, তেল কমে রান্না করাই ভাল
প্রনালীঃ
আনাজ কেটে খাবার তৈরী করার জন্য একটু অভিজ্ঞতার দরকার। কেটে ভিতরের আঁশ বের করে আনতে একটা আঙ্গুলের ব্যবহার করতে হয়। এটা আগে কোন অভিজ্ঞ কারো কাছে দেখে নেয়া দরকার। যাই হোক, কেটে সামান্য হলুদ এবং লবন দিয়ে ভাল করে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।
মুল রান্না খুব সহজ এবং সাধারণ। কড়াইতে তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভেঁজে এবং পরে রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে ভেঁজে নিতে হবে
কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিলে ভাল। তার পর সামান্য পানি দিতে হবে। এবার ভিজিয়ে তুলে রাখা ডাল দিয়ে দিতে হবে।
ভাঁজুন।
হলুদ ও মরিচ গুড়া দিয়ে দিন
সামান্য জল দিন। ডাল নরম হতে শুরু করবে।
ডাল নরম না হলে আরো সামান্য জল দিতে পারেন।
এবার সিদ্ধ করে রাখা আনাজ দিয়ে দিন।
ভাল করে নাড়িয়ে ভাঁজুন।
এবার থানকুনি পাতা দিয়ে দিন।
ফাইন্যাল নুন দেখুন, লাগলে দিন। ভাল করে নাড়িয়ে ভেঁজে গ্যাস বন্ধ করে দিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
স্বাদ অসাধারণ। বিশেষ করে থানকুনি পাতা আমি অনেক দিন পরে খেয়েছি, বলতে গেলে থানকুনি পাতার স্বাদ ভুলে গিয়েছিলাম। এবার অনেকদিন পর সেই স্বাদ আবার ফিরে পেলাম।
=====================================
195>রেসিপিঃ কলার মোচা ভুনা
উপকরনঃ
– কলার মোচার ( ফুল )বাটা
– পেঁয়াজ কুঁচি
– রসুন কুঁচি
– কয়েকটা শুকনা লঙ্কা
– এক চিমটি হলুদ গুড়া (সিদ্ব করার সময় ব্যবহার হবে)
– পরিমান মত তেল
– পরিমান মত নুন / জল
প্রনালীঃ
হলুদ গুড়া এবং নুন দিয়ে কলার মোচার ভিতরের ফুল গুলো সিদ্ব করে নিতে হবে।
এর পর বেঁটে পেষ্ট বানিয়ে নিতে হবে।
কড়াইতে তেল গরম করে তাতে সামান্য নুন যোগে পেয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি ও শুকনা লঙ্কা দিয়ে ভাল করে ভেজে নিতে হবে।
এবারে মোচার ( ফুল )বাটা দিয়ে দিন।
আবারো ভাল করে ভাজুন।
ব্যস প্রস্তুত হয়ে গেল কলার মোচার ( ফুল ) ভুনা।
(আমার কাছে তেমন একটা স্বাদ লাগে নাই। শিশুকালে মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ হয়ত এখনো মুখে লেগে আছে বলেই। আপনারা যদি কেহ কলার থোড়ের আরো ভাল রান্না জানেন তবে আমাকে জানাতে পারেন। আমি আবারো রান্না করব।)
=======================================
196>केले के तने के ये फायदे जानकर आप भी आश्चर्य में पड़ जाएंगे:(থোড় )
1. वजन घटाने में सहायक
केले के तने में पर्याप्त मात्रा में फाइबर्स मौजूद होते हैं जिसके सेवन से बहुत लंबे वक्त तक भूख नहीं लगती है. ऐसे में अगर आप चाहें स्वास्थ्य को नुकसान पहुंचाने वाले जंक फूड की जगह केले के तने को स्नैक के रूप में ले सकते हैं. इसका सेवन पेट के भरे होने का एहसास कराता है जिससे वजन कम करने में मदद मिलती है. आप चाहे तो इसे स्मूदी बनाकर या फिर उबालकर ले सकते हैं.
2. पोषक तत्वों से भरपूर
केले का तना कई तरह के पोषक तत्वों से भरपूर होता है. इसमें पर्याप्त मात्रा में पोटैशियम और बी6 होता है. विटामिन बी6 हिमोग्लोबीन और इंसुलिन के निर्माण में उपयोगी होता है. साथ ही ये शरीर की रोग-प्रतिरोधक क्षमता को भी बढ़ाने का काम करता है. इसके तने में पाया जाने वाले पोटैशियम से कार्डियक मसल्स मजबूत बनती हैं और ये हाई-ब्लड प्रेशर को नियंत्रित करने में सहायक होता है.
3. विषाक्त पदार्थों को दूर करने में सहायक
केले के तने से शरीर में मौजूद विषाक्त पदार्थ खुद ही शरीर के बाहर निकल जाते हैं. इसके अलावा ये प्राकृतिक रूप से किडनी स्टोन को बाहर निकालने में भी कारगर है. अगर आप अपनी डाइट में केले के तने को शामिल करते हैं तो ये पाचन क्रिया को भी सक्रिय और बेहतर रखता है. इसके सेवन से कब्ज की समस्या नहीं होने पाती है.
196>केले के तने के ये फायदे जानकर आप भी आश्चर्य में पड़ जाएंगे:(থোড় )
1. वजन घटाने में सहायक
केले के तने में पर्याप्त मात्रा में फाइबर्स मौजूद होते हैं जिसके सेवन से बहुत लंबे वक्त तक भूख नहीं लगती है. ऐसे में अगर आप चाहें स्वास्थ्य को नुकसान पहुंचाने वाले जंक फूड की जगह केले के तने को स्नैक के रूप में ले सकते हैं. इसका सेवन पेट के भरे होने का एहसास कराता है जिससे वजन कम करने में मदद मिलती है. आप चाहे तो इसे स्मूदी बनाकर या फिर उबालकर ले सकते हैं.
2. पोषक तत्वों से भरपूर
केले का तना कई तरह के पोषक तत्वों से भरपूर होता है. इसमें पर्याप्त मात्रा में पोटैशियम और बी6 होता है. विटामिन बी6 हिमोग्लोबीन और इंसुलिन के निर्माण में उपयोगी होता है. साथ ही ये शरीर की रोग-प्रतिरोधक क्षमता को भी बढ़ाने का काम करता है. इसके तने में पाया जाने वाले पोटैशियम से कार्डियक मसल्स मजबूत बनती हैं और ये हाई-ब्लड प्रेशर को नियंत्रित करने में सहायक होता है.
3. विषाक्त पदार्थों को दूर करने में सहायक
केले के तने से शरीर में मौजूद विषाक्त पदार्थ खुद ही शरीर के बाहर निकल जाते हैं. इसके अलावा ये प्राकृतिक रूप से किडनी स्टोन को बाहर निकालने में भी कारगर है. अगर आप अपनी डाइट में केले के तने को शामिल करते हैं तो ये पाचन क्रिया को भी सक्रिय और बेहतर रखता है. इसके सेवन से कब्ज की समस्या नहीं होने पाती है.
==========================================
197>हेल्दी रेसिपी: बाजरा मसाला कटलेट
हेल्दी कटलेट दिल खोलकर खायें।
स्नैक्स टाइम में छोटे भूख को शांत करने के लिए कटलेट से अच्छा ऑप्शन दूसरा नहीं हो सकता है। लेकिन आजकल लोग वज़न को लेकर और हेल्दी खाने के बारे बहुत कुछ सोच रहे हैं, और इन सब स्नैक्स के बारे में सोचकर मन मसोसकर रह जाते हैं। डोन्ट वरी, बाजरा कटलेट आपके मन की इच्छा और पेट दोनों को भरेगा। बाजरा में फाइबर और प्रोटीन दोनों होता है जो पेट को देर तक भरा रखने के साथ-साथ एसिडिटी होने से बचाता है।
सामग्री
1 कप बाजरे का आटा
2 बड़े चम्मच लो फैट दही
2 हरी मिर्च
2 लहसुन की फली
2 बड़े चम्मच कसूरी मेथी
3 छोटे चम्मच तिल
¼ छोटा चम्मच हल्दी पाउडर
½ छोटा चम्मच लाल मिर्च पाउडर
½ छोटा चम्मच धनिया पाउडर
½ छोटा चम्मच जीरा पाउडर
½ छोटा चम्मच गुड़ का पाउडर
गर्म पानी
नमक स्वादानुसार
1 बड़ा चम्मच तेल
विधि
• हरी मिर्च और लहसुन को पीसकर बाजरे के आटा में मिलायें।
• आटे में कसूरी मेथी और दूसरे चीजों को डालकर अच्छी तरह से मिलाने के बाद एक बड़ा चम्मच तेल और पानी डालकर आटा को गूंद लें।
• अब इनका छोटा-छोटा गोला बना लें और अपने हथेली को भिगाकर उनको कटलेट का शेप दें।
• नॉन स्टिक पैन में थोड़ा-सा तेल डालकर अच्छी तरह से उनको दोनों तरफ से सुनहरा होने तक भूनें।
• अब गरमागरम परोसें।
========================================
197>हेल्दी रेसिपी: बाजरा मसाला कटलेट
हेल्दी कटलेट दिल खोलकर खायें।
स्नैक्स टाइम में छोटे भूख को शांत करने के लिए कटलेट से अच्छा ऑप्शन दूसरा नहीं हो सकता है। लेकिन आजकल लोग वज़न को लेकर और हेल्दी खाने के बारे बहुत कुछ सोच रहे हैं, और इन सब स्नैक्स के बारे में सोचकर मन मसोसकर रह जाते हैं। डोन्ट वरी, बाजरा कटलेट आपके मन की इच्छा और पेट दोनों को भरेगा। बाजरा में फाइबर और प्रोटीन दोनों होता है जो पेट को देर तक भरा रखने के साथ-साथ एसिडिटी होने से बचाता है।
सामग्री
1 कप बाजरे का आटा
2 बड़े चम्मच लो फैट दही
2 हरी मिर्च
2 लहसुन की फली
2 बड़े चम्मच कसूरी मेथी
3 छोटे चम्मच तिल
¼ छोटा चम्मच हल्दी पाउडर
½ छोटा चम्मच लाल मिर्च पाउडर
½ छोटा चम्मच धनिया पाउडर
½ छोटा चम्मच जीरा पाउडर
½ छोटा चम्मच गुड़ का पाउडर
गर्म पानी
नमक स्वादानुसार
1 बड़ा चम्मच तेल
विधि
• हरी मिर्च और लहसुन को पीसकर बाजरे के आटा में मिलायें।
• आटे में कसूरी मेथी और दूसरे चीजों को डालकर अच्छी तरह से मिलाने के बाद एक बड़ा चम्मच तेल और पानी डालकर आटा को गूंद लें।
• अब इनका छोटा-छोटा गोला बना लें और अपने हथेली को भिगाकर उनको कटलेट का शेप दें।
• नॉन स्टिक पैन में थोड़ा-सा तेल डालकर अच्छी तरह से उनको दोनों तरफ से सुनहरा होने तक भूनें।
• अब गरमागरम परोसें।
========================================
No comments:
Post a Comment