22>Post-22== করলা পুর ;;--==>( 198 to 199 )
198.>করলা পুর ;;--
199>কচুর লতি সর্ষে পোস্ত।
200>পুর ভরা ঝিঙে :-
201> মুগ বাহার ::
202>ক্যাবেজ ও পিয়াজের পকোড়া :
203>কাঁচা পেঁপের হালুয়া ::
204>এগ ডালিয়া ::--
205>রেসিপিঃ সিমের বিচি এবং মাগুর মাছ
=================================================
মাঝারি একটু লম্বা করলার লম্বা লম্বি চিরে বিচি বার করে নিতে হবে।
এবারে ওই করলার বিচি বটে নিয়ে তাতে ,আদা ,রসুন ,পিয়াজ ,সামান্য ,পোস্ত ,সামান্য সাদা সর্ষে
দুই বা তিনটি কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে সব গুলো ই বেটে নিতে হবে( একসাথে বাটলেও চলবে বা আলাদা আলাদা বাটলেও চলবে ) ,তাতে সামান্য নুন ,একচুটকি চিনি এবং নারকেল কোৱা মিশিয়ে ভালো করে মাখে নিয়ে কড়াই তে ভেজে নিতে হবে।
এবারে লম্বা লম্বি করে কাটা করলার ভেতরে এই মশলার পুর ভোরে। চেরা মুখ টা আটা বা ময়দা
দিয়ে ভালো করে বন্ধ করে করলা গুলো ভেজে নিতে হবে।
========================================================
199>কচুর লতি সর্ষে পোস্ত।
আদা ,রসুন ,পিয়াজ ,সামান্য ,পোস্ত ,সামান্য সাদা সর্ষে দুই বা তিনটি কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে
সব গুলো ই একটু বেটে নিয়ে ,ভালো করে কষিয়ে ভেজে নিয়ে তাতে নারকেল কোৱা ,
নুন,হলুদ এবং ভালো করে ধোয়া ও কাটা লতি গুলো মিশিয়ে , সামান্য জল দিয়ে ভালোকরে মাখো
মাখো করে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
============================================
200>পুর ভরা ঝিঙে :--
কচি কিন্তু মোটা ঝিঙের খোসা ছাড়িয়ে মাঝ খান দিয়ে কাটতে হবে।
কিন্তু এমন ভাবে কাটতে হবে যেন দুই টুকরো হয়ে না যায় ,একটু যেন লেগে থাকে।
এবার ঝিঙেকে ভাপিয়ে নিয়ে ভেতরের কচি শাঁস ও বিচি বার করে নিয়ে তার সাথে
সর্ষে ,পোস্ত ,হলুদ ,কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে বেটেনিযে তারসাথে নারকেলকোরা মিশিয়ে তাতে সামান্য নুন,
সামান্য চিনি দিয়ে সর্ষে তেলে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে ( জল জল ভাবতে শুকিয়ে গেলে )
উনুন থেকে নামিয়ে ,ভাপান ঝিঙের মধ্যে পুর ভরে নিয়ে ,জিঙেগুলো চালের গুঁড়ো এবং বেসনের ব্যাটারে ভালো করে মাখিয়ের সর্ষের তেলে ভাজতে হবে। ( দেখবেন ঝিঙে গুলো জুড়ে যাবে ).
ব্যাস গর্মাগরম পুরভরা ঝিঙে সার্ভ করুন।
=============================================
201> মুগ বাহার ::-
মুগডাল আধা সেদ্ধ করুন। ( প্রেসারকুকারে নয় ) যাতে ডাল নরম হবে কিন্তু দানাগুলো আস্ত
থাকবে। আলু. গাজর, বিন্স , মিষ্টি কুমড়ো, ছোট ছোট ডুমো ডুমো করে কেটে নিন , এবং
মিষ্টি কুমড়োর বিচির খোসা ছাড়িয়ে নিন।
কড়াইতে সর্ষে তেল গরম করে তাতে একটু গাওয়া ঘি দিয়ে গরম করে তাতে সাদা জিরে -
কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিন। এবং তাতে ছোট ছোট করে কাটা সবজি গুলো দিয়ে তাতে সামান্য নুন ,সামান্য হলুদগুঁড়ো এবং একচিমটি চিনি দিয়ে ভালোকরে ভাজুন।
সবজি আধা সেদ্ধ হয়ে এলে তাতে মিষ্টি কুমড়োর বিচি দিন এবং নাড়তে থাকুন। এবং তাতে
পরিমানমত নুন ,একটু আদা কুচি ,দুই তিনটে কোয়া রসুন কুচি দিয়ে কষাতে থাকুন
(হালকা আঁচে )কষানো হয়ে গেলে আধা সেদ্ধ মুগ ডাল গ্যালো মিশিয়ে আবার নাড়তে থাকুন।
(ডালগুলো যেন না ভেঙে ). পুরোয়া সেদ্ধ হয়ে গেলে উনুন থেকে নামাবার আগে একটু ভাজা
জিরে গুঁড়ো ,পাঁচ ছ টা কারিপাতা দিয়ে একটু নেড়ে চেড়ে নামিয়ে নিন।
পরিবেশন করবার আগে একটু গন্ধরাজ লেবুর রস ছড়িয়ে পরিবেশন করুন অতি সুস্বাদু ও স্বাস্থ
কর মুগ বাহার।
=======================================================
202>ক্যাবেজ ও পিয়াজের পকোড়া ::-
বাঁধা কপি খুব ছোট ছোট কুঁচি কুঁচি করে কেটে একটু ভাপিয়ে নিয়ে জল ছাড়িয়ে ভালোকরে
জল শুকিয়ে তাতে পিজ কুঁচি দিয়ে ব্যাসন (ব্যাসন এর পরিবর্তে কর্র্ণ ফ্লাওয়ার ও ময়দা দিলেও চলে )
একটু বেকিং পাউডার , নুন ,একটু হলুদ গুঁড়ো ,সামান্য একচুটকি গরম মশলা বা একচুটকি চাট
মশলা মিশিয়ে মেখে নিয়ে সর্ষের তেলে ডিপ ফ্রাই করে ভেজে নিয়ে ,
পুদিনার চাটনি সহযোগে পরিবেশন করুন।
============================================================
203>কাঁচা পেঁপের হালুয়া ::-
পেঁপে কুড়িয়ে নিয়ে জলটা ভালোকরে নিংড়ে নিয়ে জলটা ফেলে দিতে হবে।
দুধ জাল দিয়ে একটু ঘনো করে রাখতে হবে। কিসমিস ,কাজু বাদাম,ওয়ালমন্ড ছোট ছোট
টুকরো করে জলে ভিজিয়ে রাখুন।
এবার কড়াইতে গাওয়া ঘি গরম করে কোরান পেঁপে গুলো দিয়ে কম আঁচে ভাজতে থাকুন।
পেঁপের রং তা একটু হালকা খয়েরি হয়ে এলে তাতে ঘনকরা দুধ ,,ভেজানো কিসমিস ,
কাজু, আলমন্ড এবং সামান্য একচুটকি নুন দিয়ে কম আঁচে নাড়তে থাকুন ,পুরোটা একটু হালকা খয়েরি রং ও ঘনো হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে একটু ঘি ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে পরিবেশন করুন।
========================================================
204>এগ ডালিয়া ::-
(খুবই সুস্বাদু ও স্বাস্থ কর --আমার বানানো এই এগ ডালিয়া বিভিন্ন সময়ে নানান জাতি যেমন বাঙালি, বিহারী , কেড়ালিয়ান, মারাঠি ,পাঞ্জাবি ,নেপালি ,সকলেই খেয়ে খুবই সুখ্যাতি করেছে। )
250 গ্রাম ডালিয়া এবং100গ্রাম সোনামুগ ডাল আলাদা আলাদা করে ভেজে রাখুন। ( সোনামুগ ডাল ভেজে ভালোকরে ধুয়ে নিতে হবে ).
দুটো ডিমের ওমলেট ( পিয়াজ ছাড়া )করে লম্বা লম্বা ছোট ছোট করে কেটে নিন।
দুটো ডিম সেদ্ধ করে কুসুম টা বার করে সাদা অংশ টা লম্বা লম্বা করে চার ,চার মোট আট টুকরো
করে একটু হালকা ভেঁজে নিন।
এবারে কড়াই তে ঘি গরম করে তাতে একইঞ্চি দারচিনি দু টুকরো করে চারটি লবঙ্গ ,চারটি এলাচ
1/2 চা চামচ ( ছোট ) কালো জিরে ,1/2 চা চামচ সাদা জিরে ,দুটো তেজপাতা ,দুটো শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে তাতে একটা পিঁয়াজ কুচি ,1/2 ইঞ্চি আদাকুচি ,চারটে কলি রসুন কুচি , আন্দাজ মতো নুন ,1/2 চা চামচ হলুদ গুঁড়ো ,এক চা চামচ চিনি দিয়ে ভেঁজে নিয়ে তাতে 4 চার কাপ জল দিয়ে ,জল
ফুটে উঠলে তাতে ভেজে রাখা ডালিয়া ও সোনামুগ ডাল গুলো দিয়ে ওপর থেকে একটু সর্ষে তেল ছড়িয়ে অলপ আঁচে সেদ্ধ করতে হবে। ডালিয়া ঘন ও সেদ্ধ হয়ে এলে (প্রয়োজনে গরম জল দেওয়া
যেতে পারে )নামাবার আগে ওমলেট কুঁচি ও ডিমের কুচি দিয়ে একটু হালকা ভাবে নাড়া ছাড়া
করে ওপর থেকে একটু ঘি গরম মশলার গুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন।
===================================================
205>রেসিপিঃ সিমের বিচি এবং মাগুর মাছ
সামান্য সিদ্ধ করে নিলেই কম সময়ে খোসা ছাড়ানো যায়।
উপকরন ও পরিমানঃ (আমাদের ঘরের সাধারন রান্না)
– হাফ কেজি সিমের বিচি (খোসা ছাড়ানোর পর যা হয়)
– কয়েকটা মাগুর মাছ (হাফ কেজি বা তার কিছু কম)
– দুইটা/তিনটে মাঝারি পেঁয়াজ কুঁচি
– রসুন বাটা, এক টেবিল চামচ
– আদা বাটা, এক টেবিল চামচ (দেশী হলে কিছুটা কম লাগবে)
– এক চা চামচ হলুদ গুড়া (সামান্য কম হলেও চলবে)
– হাফ চা চামচ বা তার কম লাল শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো , ঝাল বুঝে
– কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা
– কিছু ধনিয়া পাতার কুঁচি
– নুন , পরিমান মত
– জল , পরিমান মত
– তেল, পরিমান মত
প্রনালীঃ
সামান্য তেলে পেঁয়াজ কুচি হাফ চামচ নুন দিয়ে ভাজুন।
পেঁয়াজ কিছুটা নরম হলে হাফ কাপ জল দিয়ে দিন, কয়েকটা কাচা লঙ্কাও দিয়ে দিন। এবং ভাল করে কষিয়ে নিন।
এবার হলুদ ও লংকাগুঁড়ো দিন। এবং ভাল করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে নিন। মিক্স মশলার একটা আলাদা ঘ্রান বের হবে।
এবার মাছ দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে মিনিট পাঁচ মাধ্যম আঁচে রাখুন।
এবার সিমের বিচি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।
এমন দেখাবে। এভাবে হাল্কা আঁচে আরো মিনিট পাঁচেক রাখুন।
এবার এক কাপ জল দিন (গরম জল হলে ভাল, না হলে সাধারন তাপমাত্রার জল হলেও চলবে)
ঢাকনা দিয়ে মিনিট ২০ মাধ্যম আঁচে রাখুন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিতে ভুলবেন না।
যদি সিমের বিচি নরম না হয় তবে আরো কিছু জল দিতে পারেন। আর নরম হয়ে গেলে তো কথাই নাই।ধনিয়া পাতার কুচি ছিটিয়ে দিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
198.>করলা পুর ;;--
199>কচুর লতি সর্ষে পোস্ত।
200>পুর ভরা ঝিঙে :-
201> মুগ বাহার ::
202>ক্যাবেজ ও পিয়াজের পকোড়া :
203>কাঁচা পেঁপের হালুয়া ::
204>এগ ডালিয়া ::--
205>রেসিপিঃ সিমের বিচি এবং মাগুর মাছ
=================================================
198.>করলা পুর ;;--
মাঝারি একটু লম্বা করলার লম্বা লম্বি চিরে বিচি বার করে নিতে হবে।
এবারে ওই করলার বিচি বটে নিয়ে তাতে ,আদা ,রসুন ,পিয়াজ ,সামান্য ,পোস্ত ,সামান্য সাদা সর্ষে
দুই বা তিনটি কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে সব গুলো ই বেটে নিতে হবে( একসাথে বাটলেও চলবে বা আলাদা আলাদা বাটলেও চলবে ) ,তাতে সামান্য নুন ,একচুটকি চিনি এবং নারকেল কোৱা মিশিয়ে ভালো করে মাখে নিয়ে কড়াই তে ভেজে নিতে হবে।
এবারে লম্বা লম্বি করে কাটা করলার ভেতরে এই মশলার পুর ভোরে। চেরা মুখ টা আটা বা ময়দা
দিয়ে ভালো করে বন্ধ করে করলা গুলো ভেজে নিতে হবে।
========================================================
199>কচুর লতি সর্ষে পোস্ত।
আদা ,রসুন ,পিয়াজ ,সামান্য ,পোস্ত ,সামান্য সাদা সর্ষে দুই বা তিনটি কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে
সব গুলো ই একটু বেটে নিয়ে ,ভালো করে কষিয়ে ভেজে নিয়ে তাতে নারকেল কোৱা ,
নুন,হলুদ এবং ভালো করে ধোয়া ও কাটা লতি গুলো মিশিয়ে , সামান্য জল দিয়ে ভালোকরে মাখো
মাখো করে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
============================================
200>পুর ভরা ঝিঙে :--
কচি কিন্তু মোটা ঝিঙের খোসা ছাড়িয়ে মাঝ খান দিয়ে কাটতে হবে।
কিন্তু এমন ভাবে কাটতে হবে যেন দুই টুকরো হয়ে না যায় ,একটু যেন লেগে থাকে।
এবার ঝিঙেকে ভাপিয়ে নিয়ে ভেতরের কচি শাঁস ও বিচি বার করে নিয়ে তার সাথে
সর্ষে ,পোস্ত ,হলুদ ,কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে বেটেনিযে তারসাথে নারকেলকোরা মিশিয়ে তাতে সামান্য নুন,
সামান্য চিনি দিয়ে সর্ষে তেলে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে ( জল জল ভাবতে শুকিয়ে গেলে )
উনুন থেকে নামিয়ে ,ভাপান ঝিঙের মধ্যে পুর ভরে নিয়ে ,জিঙেগুলো চালের গুঁড়ো এবং বেসনের ব্যাটারে ভালো করে মাখিয়ের সর্ষের তেলে ভাজতে হবে। ( দেখবেন ঝিঙে গুলো জুড়ে যাবে ).
ব্যাস গর্মাগরম পুরভরা ঝিঙে সার্ভ করুন।
=============================================
201> মুগ বাহার ::-
মুগডাল আধা সেদ্ধ করুন। ( প্রেসারকুকারে নয় ) যাতে ডাল নরম হবে কিন্তু দানাগুলো আস্ত
থাকবে। আলু. গাজর, বিন্স , মিষ্টি কুমড়ো, ছোট ছোট ডুমো ডুমো করে কেটে নিন , এবং
মিষ্টি কুমড়োর বিচির খোসা ছাড়িয়ে নিন।
কড়াইতে সর্ষে তেল গরম করে তাতে একটু গাওয়া ঘি দিয়ে গরম করে তাতে সাদা জিরে -
কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিন। এবং তাতে ছোট ছোট করে কাটা সবজি গুলো দিয়ে তাতে সামান্য নুন ,সামান্য হলুদগুঁড়ো এবং একচিমটি চিনি দিয়ে ভালোকরে ভাজুন।
সবজি আধা সেদ্ধ হয়ে এলে তাতে মিষ্টি কুমড়োর বিচি দিন এবং নাড়তে থাকুন। এবং তাতে
পরিমানমত নুন ,একটু আদা কুচি ,দুই তিনটে কোয়া রসুন কুচি দিয়ে কষাতে থাকুন
(হালকা আঁচে )কষানো হয়ে গেলে আধা সেদ্ধ মুগ ডাল গ্যালো মিশিয়ে আবার নাড়তে থাকুন।
(ডালগুলো যেন না ভেঙে ). পুরোয়া সেদ্ধ হয়ে গেলে উনুন থেকে নামাবার আগে একটু ভাজা
জিরে গুঁড়ো ,পাঁচ ছ টা কারিপাতা দিয়ে একটু নেড়ে চেড়ে নামিয়ে নিন।
পরিবেশন করবার আগে একটু গন্ধরাজ লেবুর রস ছড়িয়ে পরিবেশন করুন অতি সুস্বাদু ও স্বাস্থ
কর মুগ বাহার।
=======================================================
202>ক্যাবেজ ও পিয়াজের পকোড়া ::-
বাঁধা কপি খুব ছোট ছোট কুঁচি কুঁচি করে কেটে একটু ভাপিয়ে নিয়ে জল ছাড়িয়ে ভালোকরে
জল শুকিয়ে তাতে পিজ কুঁচি দিয়ে ব্যাসন (ব্যাসন এর পরিবর্তে কর্র্ণ ফ্লাওয়ার ও ময়দা দিলেও চলে )
একটু বেকিং পাউডার , নুন ,একটু হলুদ গুঁড়ো ,সামান্য একচুটকি গরম মশলা বা একচুটকি চাট
মশলা মিশিয়ে মেখে নিয়ে সর্ষের তেলে ডিপ ফ্রাই করে ভেজে নিয়ে ,
পুদিনার চাটনি সহযোগে পরিবেশন করুন।
============================================================
203>কাঁচা পেঁপের হালুয়া ::-
পেঁপে কুড়িয়ে নিয়ে জলটা ভালোকরে নিংড়ে নিয়ে জলটা ফেলে দিতে হবে।
দুধ জাল দিয়ে একটু ঘনো করে রাখতে হবে। কিসমিস ,কাজু বাদাম,ওয়ালমন্ড ছোট ছোট
টুকরো করে জলে ভিজিয়ে রাখুন।
এবার কড়াইতে গাওয়া ঘি গরম করে কোরান পেঁপে গুলো দিয়ে কম আঁচে ভাজতে থাকুন।
পেঁপের রং তা একটু হালকা খয়েরি হয়ে এলে তাতে ঘনকরা দুধ ,,ভেজানো কিসমিস ,
কাজু, আলমন্ড এবং সামান্য একচুটকি নুন দিয়ে কম আঁচে নাড়তে থাকুন ,পুরোটা একটু হালকা খয়েরি রং ও ঘনো হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে একটু ঘি ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে পরিবেশন করুন।
========================================================
204>এগ ডালিয়া ::-
(খুবই সুস্বাদু ও স্বাস্থ কর --আমার বানানো এই এগ ডালিয়া বিভিন্ন সময়ে নানান জাতি যেমন বাঙালি, বিহারী , কেড়ালিয়ান, মারাঠি ,পাঞ্জাবি ,নেপালি ,সকলেই খেয়ে খুবই সুখ্যাতি করেছে। )
250 গ্রাম ডালিয়া এবং100গ্রাম সোনামুগ ডাল আলাদা আলাদা করে ভেজে রাখুন। ( সোনামুগ ডাল ভেজে ভালোকরে ধুয়ে নিতে হবে ).
দুটো ডিমের ওমলেট ( পিয়াজ ছাড়া )করে লম্বা লম্বা ছোট ছোট করে কেটে নিন।
দুটো ডিম সেদ্ধ করে কুসুম টা বার করে সাদা অংশ টা লম্বা লম্বা করে চার ,চার মোট আট টুকরো
করে একটু হালকা ভেঁজে নিন।
এবারে কড়াই তে ঘি গরম করে তাতে একইঞ্চি দারচিনি দু টুকরো করে চারটি লবঙ্গ ,চারটি এলাচ
1/2 চা চামচ ( ছোট ) কালো জিরে ,1/2 চা চামচ সাদা জিরে ,দুটো তেজপাতা ,দুটো শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে তাতে একটা পিঁয়াজ কুচি ,1/2 ইঞ্চি আদাকুচি ,চারটে কলি রসুন কুচি , আন্দাজ মতো নুন ,1/2 চা চামচ হলুদ গুঁড়ো ,এক চা চামচ চিনি দিয়ে ভেঁজে নিয়ে তাতে 4 চার কাপ জল দিয়ে ,জল
ফুটে উঠলে তাতে ভেজে রাখা ডালিয়া ও সোনামুগ ডাল গুলো দিয়ে ওপর থেকে একটু সর্ষে তেল ছড়িয়ে অলপ আঁচে সেদ্ধ করতে হবে। ডালিয়া ঘন ও সেদ্ধ হয়ে এলে (প্রয়োজনে গরম জল দেওয়া
যেতে পারে )নামাবার আগে ওমলেট কুঁচি ও ডিমের কুচি দিয়ে একটু হালকা ভাবে নাড়া ছাড়া
করে ওপর থেকে একটু ঘি গরম মশলার গুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন।
===================================================
205>রেসিপিঃ সিমের বিচি এবং মাগুর মাছ
সামান্য সিদ্ধ করে নিলেই কম সময়ে খোসা ছাড়ানো যায়।
উপকরন ও পরিমানঃ (আমাদের ঘরের সাধারন রান্না)
– হাফ কেজি সিমের বিচি (খোসা ছাড়ানোর পর যা হয়)
– কয়েকটা মাগুর মাছ (হাফ কেজি বা তার কিছু কম)
– দুইটা/তিনটে মাঝারি পেঁয়াজ কুঁচি
– রসুন বাটা, এক টেবিল চামচ
– আদা বাটা, এক টেবিল চামচ (দেশী হলে কিছুটা কম লাগবে)
– এক চা চামচ হলুদ গুড়া (সামান্য কম হলেও চলবে)
– হাফ চা চামচ বা তার কম লাল শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো , ঝাল বুঝে
– কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা
– কিছু ধনিয়া পাতার কুঁচি
– নুন , পরিমান মত
– জল , পরিমান মত
– তেল, পরিমান মত
প্রনালীঃ
সামান্য তেলে পেঁয়াজ কুচি হাফ চামচ নুন দিয়ে ভাজুন।
পেঁয়াজ কিছুটা নরম হলে হাফ কাপ জল দিয়ে দিন, কয়েকটা কাচা লঙ্কাও দিয়ে দিন। এবং ভাল করে কষিয়ে নিন।
এবার হলুদ ও লংকাগুঁড়ো দিন। এবং ভাল করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে নিন। মিক্স মশলার একটা আলাদা ঘ্রান বের হবে।
এবার মাছ দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে মিনিট পাঁচ মাধ্যম আঁচে রাখুন।
এবার সিমের বিচি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।
এমন দেখাবে। এভাবে হাল্কা আঁচে আরো মিনিট পাঁচেক রাখুন।
এবার এক কাপ জল দিন (গরম জল হলে ভাল, না হলে সাধারন তাপমাত্রার জল হলেও চলবে)
ঢাকনা দিয়ে মিনিট ২০ মাধ্যম আঁচে রাখুন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিতে ভুলবেন না।
যদি সিমের বিচি নরম না হয় তবে আরো কিছু জল দিতে পারেন। আর নরম হয়ে গেলে তো কথাই নাই।ধনিয়া পাতার কুচি ছিটিয়ে দিন।
পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
=======================================
No comments:
Post a Comment