28>239= কলার থোরের ভুনা=239=(a to i )

28>239= কলার থোরের ভুনা=239=(a to i )

a>কলার থোরের ভুনা

b>কাঁচকলার চিপস l

c>কাঁচা কলার রোল।

d> সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর কাঁচাকলার কোফতা ¤¤¤

e>  কাঁচা কলার শাহী চপ।

 f>কাঁচকলার চিপস l

g>কাঁচা কলার রোল। 

h> সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর কাঁচাকলার কোফতা ¤¤¤
i> কাঁচা কলার শাহী চপ।




==============================
a>কলার থোরের ভুনা


যা লাগবে : কলার ফুল সিদ্ধ বাটা ২ বাটি। চিংড়ি বা মাংসের কিমা ১ কাপ, এলাচ বাটা পৌনে এক চা চামচ, দারুচিনি টুকরা ২-৩টা, কাঁচামরিচ ৪-৫টা, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ১০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, জিরা গুঁড়া দেড় চা চামচ।
যেভাবে করবেন : কড়াইতে তেলে পেঁয়াজ ভেজে তাতে চিংড়ি কিমা বা মাংস কিমা সবরকম মশলা দিয়ে কষিয়ে সিদ্ধ ও বাটা কলার ফুল দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। এভাবে নাড়তে নাড়তে তেল ওপরে উঠে এলে তাতে কাঁচামরিচ দিয়ে নামিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন।
=============================

b>কাঁচকলার চিপস l
কলার চিপস তৈরির নিয়ম
☻প্রথমেই পরিণত ও তাজা কলা সংগ্রহ করতে হবে।
☻কলার বোটা ও শেষ দিক থেকে সামান্য কেটে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
☻কলার খোসা উপর থেকে নীচের দিকে কেটে দু’দিক থেকে ছাড়িয়ে নিতে হবে।
☻একটা বড় পরিস্কার গামলায় পরিমাণ মতো পানি নিতে হবে। যাতে কলাগুলো ডুবে থাকে। পানিতে পরিমাণ মতো লবণ গুলিয়ে নিতে হবে। কলাগুলো এর মধ্যে ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে। এর ফলে কলার আঠা বের হয়ে যাবে।
☻কলাগুলো লবণ গোলানো পানি থেকে তুলে অন্য একটা বড় গামলায় রেখে পরিস্কার ধারালো বটি বা ছুরি দিয়ে চাক চাক করে কাটতে হবে।
☻কাটার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চাকগুলো পরিমাণ মতো পাতলা ও সমান হয়।
☻চুলার উপর কড়াই-এ পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল নিয়ে গরম করতে হবে। এমন পরিমাণ তেল নিতে হবে যেন কলার টুকরাগুলো ডুবে থাকে।
☻তেল গরম হলে কলার টুকরাগুলো তেলের মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। গরম তেলে কলার টুকরাগুলো চিকন কাঠি দিয়ে জট ছাড়িয়ে নিতে হবে। তা না হলে একটা কলার টুকরার সাথে অন্যটা লেগে যাবে।
☻কলার টুকরাগুলো অল্প তাপে বাদামী রঙে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে টুকরাগুলো জালি খুন্তির সাহায্যে তেল ঝরিয়ে তুলে একটা পরিস্কার ও শুকনো ট্রেতে রাখতে হবে। ট্রের উপর একটা পরিস্কার কাগজ রাখা ভাল। তাহলে কাগজ বাড়তি তেল শুষে নিবে।
☻অল্প গরম থাকতেই চিপস এর সাথে পরিমাণ মতো বিট লবণ ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে।
এমনিতেই এবং ডাল ভাতের সাথে দারুন জমবে এই কাঁচা কলা চিপস l

====================================

c>কাঁচা কলার রোল।

কাঁচা কলা ভর্তা, চিংড়ি ও কাঁচা কলার টিকিয়া, কাঁচা কলার কোপ্তা, কাঁচা কলার খোসা ভর্তা, কাঁচা কলার চিপস, কাঁচা কলার খোসা ভর্তা, কাঁচা কলার রোল, কাঁচা কলা দিয়ে ডাল, কাঁচা কলার পাকোড়া ইত্যাদি নানা বিধ রান্না করা যায়। এর মধ্যে আমি আমার একটি প্রিয় রেসিপি শেয়ার করছি>> কাঁচকলার রোল
কাঁচকলা ২টা
আলু ১টা
ডিম ২টা
পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ
মরিচ ১ চা চামচ
জিরা ১/৪ চামচ
ময়দা পরিমাণমতো
বেকিং পাউডার ১ টেবিল চামচ
বিস্কুটের গুঁড়ো পরিমাণমতো
সাদা তেল পরিমাণমতো (ভাজার জন্য)
সস ১ চা চামচ
মাংসের কিমা ১ কাপ
লবণ পরিমাণমতো
প্রণালি
মাংসের কিমায় অল্প আদা, রসুন, লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। পেঁয়াজ কুচি দিয়ে গরম মসলা দিয়ে তেলে ভুনা করে নিন। এবার কলা, আলু, বেকিং পাউডার ও ময়দা একসঙ্গে মেখে চপ তৈরি করে চপের ভেতর দিয়ে পছন্দমতো আকার তৈরি করুন। এবার ডিমে চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়োয় গড়িয়ে আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। আধা ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজুন। এরপর সুন্দর করে সাজিয়ে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন কাঁচা কলার রোল।_____ এটি খেতে যে কেমন মজা বলতে পারব না। আম্মু যখন বানায় আমি তো নিজেই ৪-৫ টা খেয়ে ফেলি। আপনিও ট্রাই করে দেখুন। ভালো লাগবে।

==============================
d> সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর কাঁচাকলার কোফতা ¤¤¤

কাঁচাকলা খেতে যেমনই হোক না কেন এর রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ফাইবারে ভরপুর কাঁচাকলা দেহের রক্তসল্পতা দূর করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। কিন্তু সমস্যা হলো কাঁচাকলা খাওয়া। যদিও কাঁচাকলার ভর্তা বেশ জনপ্রিয় কিন্তু সাধারণ রান্নায় কাঁচাকলার ব্যবহার অনেকেই অপছন্দ করে থাকেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের তো খাওয়ানোই যায় না। এতে করে অনেকেই বঞ্চিত হন কাঁচাকলার অসাধারণ পুষ্টিগুণ থেকে।
তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল কাঁচাকলার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সুস্বাদু উপায়ে পাওয়ার একটি সহজ রান্না ‘কাঁচাকলার কোফতা’। দারুণ সুস্বাদু কাঁচাকলার কোফতা যে কারো পছন্দ হবে। একইসাথে সাথে স্বাদের পাশাপাশি দেহে পৌঁছাবে কাঁচাকলার পুষ্টি। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক ‘কাঁচাকলার কোফতা’ তৈরির সহজ একটি রেসিপি।
উপকরনঃ
- ২৫০ গ্রাম কাঁচাকলা
- ২০০ গ্রাম আলু
- ২০০ গ্রাম টমেটো পিউরি
- ৪ টি লবঙ্গ
- ১ টি মাঝারি আকারের দারুচিনি
- ২/৩ টি এলাচ
- ১ চা চামচ জিরা
- অর্ধেক চা চামচ হলুদ গুড়ো
- সামান্য ধনিয়া গুঁড়ো
- ২/৩ টি শুকনা মরিচ
- ৩/৪ টি কাঁচা মরিচ
- ১ চা চামচ আদা বাটা
- ১ টেবিল চামচ তেল
- লবন স্বাদমত
- ১ কাপ পানি
প্রণালীঃ
- কাঁচাকলা এবং আলু ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
- এরপর সেদ্ধ কাঁচাকলা এবং আলু ভালো করে পিষে নিন। এতে লবণ দিয়ে ভালো করে ভর্তা তৈরি করুন যাতে এতে শক্ত অংশ না থাকে। ভর্তাটি খুব নরম করবেন না। নরম হলে বল তৈরি করে ভাঁজতে অসুবিধা হবে।
- এরপর ভর্তাটি ১২ টি ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বলের মত তৈরি করে নিন।
- একটি প্যানে তেল ঢেলে কাঁচাকলা এবং আলুর বলগুলো ডুবো তেলে ভালো করে ভেজে নিন। বেশি নাড়বেন না এতে বলগুলো ভেঙ্গে যেতে পারে। লালচে হলে নামিয়ে নিন।
- একটি প্যানে তেল ছাড়া শুকনো করে লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, শুকনা মরিচ এবং এলাচ ভেজে নামিয়ে নিন। ভাজা মসলাগুলো পিষে নিন।
- টমেটো সেদ্ধ করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে টমেটো পিউরি করে নিন।
- প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে এতে আদা বাটা দিয়ে নেড়ে নিন। হলুদ এবং ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর এতে টমেটো পিউরি দিয়ে দিন।
- এরপর এতে পিষে নেয়া মশলা অর্ধেকটা দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে।
- তারপর ১ কাপ পানি প্যানে ঢেলে ঝোল ফুটতে দিন ৪/৫ মিনিট।
- ৪/৫ মিনিট পরে এতে সামান্য আদা কুঁচি, মরিচ কুঁচি , বাকি মশলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন
=================================
e>  কাঁচা কলার শাহী চপ।

উপকরণ :
– ৪ টা (বড়) কাঁচা কলা
– ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বেরেস্তা(ঘি দিয়ে ভাজা)
– দেড় টেবিল চামচ কিশমিশ কুচি
– ১ টেবিল চামচ কাঁচা মরিচ কুচি (আপনার পছন্দ মত ঝাল দিতে পারেন)
– ১ টেবিল চামচ ঘি
– ১/২ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়া
– ২ চিমটি জায়ফল গুঁড়া
– যে ক’টা চপ হবে সে ক’টা কাজু বাদাম
– ১ টা ডিম
– কর্ণ ফ্লাওয়ার (প্রয়োজন মত)
প্রণালী :
- কাজু বাদাম অল্প ঘিতে হাল্কা করে ভেজে তুলে রাখুন।
- খোসা সহ কাঁচা কলা ভাল করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর খোসা ছাড়িয়ে লবণ দিয়ে ভর্তা করে নিন।
- এর পর একে একে পেঁয়াজ বেরেস্তা, কিশমিশ কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, গরম মশলা গুঁড়া, জায়ফল গুঁড়া আর গলানো ঘি ভাল করে মিশিয়ে নিন কলা ভর্তার সাথে।
- এরপর যে ক’টা চপ বানাবেন সেই মত সমান ভাগে ভাগ করে নিন কলার ভর্তাকে। চপ তৈরি করে ফেলুন আর ভেতরে একটা করে ভাজা কাজু বাদাম পুরের মত করে দিয়ে দিন।
- ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন আধা ঘণ্টার মত। এর মাঝে এক বার উলটে দিবেন, নতুবা প্লেটের সাথে আটকে যাবে।
- একটা ডিম অল্প লবণ আর মরিচ গুঁড়া দিয়ে ফেটে নিন। চপ গুলো শুকনো কর্ণ ফ্লাওয়ারে গড়িয়ে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে গরম তেলে সোনালী করে ভেজে নিলেই কাঁচা কলার শাহী চপ তৈরি।
- আপনি চাইলে শুধু ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে অথবা ডিম বা কর্ণ ফ্লাওয়ার ছাড়া শুধু কলার চপ-ও গরম তেলে ভেজে নিতে পারেন। গরম ভাত বা পোলাও এর সাথে খুবই ভাল যায় এই চপ।
=============================

 

f>কাঁচকলার চিপস l 


কলার চিপস তৈরির নিয়ম
☻প্রথমেই পরিণত ও তাজা কলা সংগ্রহ করতে হবে।
☻কলার বোটা ও শেষ দিক থেকে সামান্য কেটে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
☻কলার খোসা উপর থেকে নীচের দিকে কেটে দু’দিক থেকে ছাড়িয়ে নিতে হবে।
☻একটা বড় পরিস্কার গামলায় পরিমাণ মতো পানি নিতে হবে। যাতে কলাগুলো ডুবে থাকে। পানিতে পরিমাণ মতো লবণ গুলিয়ে নিতে হবে। কলাগুলো এর মধ্যে ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে। এর ফলে কলার আঠা বের হয়ে যাবে।
☻কলাগুলো লবণ গোলানো পানি থেকে তুলে অন্য একটা বড় গামলায় রেখে পরিস্কার ধারালো বটি বা ছুরি দিয়ে চাক চাক করে কাটতে হবে।
☻কাটার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চাকগুলো পরিমাণ মতো পাতলা ও সমান হয়।
☻চুলার উপর কড়াই-এ পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল নিয়ে গরম করতে হবে। এমন পরিমাণ তেল নিতে হবে যেন কলার টুকরাগুলো ডুবে থাকে।
☻তেল গরম হলে কলার টুকরাগুলো তেলের মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। গরম তেলে কলার টুকরাগুলো চিকন কাঠি দিয়ে জট ছাড়িয়ে নিতে হবে। তা না হলে একটা কলার টুকরার সাথে অন্যটা লেগে যাবে।
☻কলার টুকরাগুলো অল্প তাপে বাদামী রঙে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে টুকরাগুলো জালি খুন্তির সাহায্যে তেল ঝরিয়ে তুলে একটা পরিস্কার ও শুকনো ট্রেতে রাখতে হবে। ট্রের উপর একটা পরিস্কার কাগজ রাখা ভাল। তাহলে কাগজ বাড়তি তেল শুষে নিবে।
☻অল্প গরম থাকতেই চিপস এর সাথে পরিমাণ মতো বিট লবণ ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে।
এমনিতেই এবং ডাল ভাতের সাথে দারুন জমবে এই কাঁচা কলা চিপস l

====================================

g>কাঁচা কলার রোল।

কাঁচা কলা ভর্তা, চিংড়ি ও কাঁচা কলার টিকিয়া, কাঁচা কলার কোপ্তা, কাঁচা কলার খোসা ভর্তা, কাঁচা কলার চিপস, কাঁচা কলার খোসা ভর্তা, কাঁচা কলার রোল, কাঁচা কলা দিয়ে ডাল, কাঁচা কলার পাকোড়া ইত্যাদি নানা বিধ রান্না করা যায়। এর মধ্যে আমি আমার একটি প্রিয় রেসিপি শেয়ার করছি>> কাঁচকলার রোল
কাঁচকলা ২টা
আলু ১টা
ডিম ২টা
পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ
মরিচ ১ চা চামচ
জিরা ১/৪ চামচ
ময়দা পরিমাণমতো
বেকিং পাউডার ১ টেবিল চামচ
বিস্কুটের গুঁড়ো পরিমাণমতো
সাদা তেল পরিমাণমতো (ভাজার জন্য)
সস ১ চা চামচ
মাংসের কিমা ১ কাপ
লবণ পরিমাণমতো
প্রণালি
মাংসের কিমায় অল্প আদা, রসুন, লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। পেঁয়াজ কুচি দিয়ে গরম মসলা দিয়ে তেলে ভুনা করে নিন। এবার কলা, আলু, বেকিং পাউডার ও ময়দা একসঙ্গে মেখে চপ তৈরি করে চপের ভেতর দিয়ে পছন্দমতো আকার তৈরি করুন। এবার ডিমে চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়োয় গড়িয়ে আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। আধা ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজুন। এরপর সুন্দর করে সাজিয়ে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন কাঁচা কলার রোল।_____ এটি খেতে যে কেমন মজা বলতে পারব না। আম্মু যখন বানায় আমি তো নিজেই ৪-৫ টা খেয়ে ফেলি। আপনিও ট্রাই করে দেখুন। ভালো লাগবে।

==============================
h> সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর কাঁচাকলার কোফতা ¤¤¤

কাঁচাকলা খেতে যেমনই হোক না কেন এর রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ফাইবারে ভরপুর কাঁচাকলা দেহের রক্তসল্পতা দূর করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। কিন্তু সমস্যা হলো কাঁচাকলা খাওয়া। যদিও কাঁচাকলার ভর্তা বেশ জনপ্রিয় কিন্তু সাধারণ রান্নায় কাঁচাকলার ব্যবহার অনেকেই অপছন্দ করে থাকেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের তো খাওয়ানোই যায় না। এতে করে অনেকেই বঞ্চিত হন কাঁচাকলার অসাধারণ পুষ্টিগুণ থেকে।
তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল কাঁচাকলার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সুস্বাদু উপায়ে পাওয়ার একটি সহজ রান্না ‘কাঁচাকলার কোফতা’। দারুণ সুস্বাদু কাঁচাকলার কোফতা যে কারো পছন্দ হবে। একইসাথে সাথে স্বাদের পাশাপাশি দেহে পৌঁছাবে কাঁচাকলার পুষ্টি। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক ‘কাঁচাকলার কোফতা’ তৈরির সহজ একটি রেসিপি।
উপকরনঃ
- ২৫০ গ্রাম কাঁচাকলা
- ২০০ গ্রাম আলু
- ২০০ গ্রাম টমেটো পিউরি
- ৪ টি লবঙ্গ
- ১ টি মাঝারি আকারের দারুচিনি
- ২/৩ টি এলাচ
- ১ চা চামচ জিরা
- অর্ধেক চা চামচ হলুদ গুড়ো
- সামান্য ধনিয়া গুঁড়ো
- ২/৩ টি শুকনা মরিচ
- ৩/৪ টি কাঁচা মরিচ
- ১ চা চামচ আদা বাটা
- ১ টেবিল চামচ তেল
- লবন স্বাদমত
- ১ কাপ পানি
প্রণালীঃ
- কাঁচাকলা এবং আলু ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
- এরপর সেদ্ধ কাঁচাকলা এবং আলু ভালো করে পিষে নিন। এতে লবণ দিয়ে ভালো করে ভর্তা তৈরি করুন যাতে এতে শক্ত অংশ না থাকে। ভর্তাটি খুব নরম করবেন না। নরম হলে বল তৈরি করে ভাঁজতে অসুবিধা হবে।
- এরপর ভর্তাটি ১২ টি ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বলের মত তৈরি করে নিন।
- একটি প্যানে তেল ঢেলে কাঁচাকলা এবং আলুর বলগুলো ডুবো তেলে ভালো করে ভেজে নিন। বেশি নাড়বেন না এতে বলগুলো ভেঙ্গে যেতে পারে। লালচে হলে নামিয়ে নিন।
- একটি প্যানে তেল ছাড়া শুকনো করে লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, শুকনা মরিচ এবং এলাচ ভেজে নামিয়ে নিন। ভাজা মসলাগুলো পিষে নিন।
- টমেটো সেদ্ধ করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে টমেটো পিউরি করে নিন।
- প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে এতে আদা বাটা দিয়ে নেড়ে নিন। হলুদ এবং ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর এতে টমেটো পিউরি দিয়ে দিন।
- এরপর এতে পিষে নেয়া মশলা অর্ধেকটা দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে।
- তারপর ১ কাপ পানি প্যানে ঢেলে ঝোল ফুটতে দিন ৪/৫ মিনিট।
- ৪/৫ মিনিট পরে এতে সামান্য আদা কুঁচি, মরিচ কুঁচি , বাকি মশলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন
=================================


 i> কাঁচা কলার শাহী চপ।
উপকরণ :
– ৪ টা (বড়) কাঁচা কলা
– ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বেরেস্তা(ঘি দিয়ে ভাজা)
– দেড় টেবিল চামচ কিশমিশ কুচি
– ১ টেবিল চামচ কাঁচা মরিচ কুচি (আপনার পছন্দ মত ঝাল দিতে পারেন)
– ১ টেবিল চামচ ঘি
– ১/২ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়া
– ২ চিমটি জায়ফল গুঁড়া
– যে ক’টা চপ হবে সে ক’টা কাজু বাদাম
– ১ টা ডিম
– কর্ণ ফ্লাওয়ার (প্রয়োজন মত)
প্রণালী :
- কাজু বাদাম অল্প ঘিতে হাল্কা করে ভেজে তুলে রাখুন।
- খোসা সহ কাঁচা কলা ভাল করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর খোসা ছাড়িয়ে লবণ দিয়ে ভর্তা করে নিন।
- এর পর একে একে পেঁয়াজ বেরেস্তা, কিশমিশ কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, গরম মশলা গুঁড়া, জায়ফল গুঁড়া আর গলানো ঘি ভাল করে মিশিয়ে নিন কলা ভর্তার সাথে।
- এরপর যে ক’টা চপ বানাবেন সেই মত সমান ভাগে ভাগ করে নিন কলার ভর্তাকে। চপ তৈরি করে ফেলুন আর ভেতরে একটা করে ভাজা কাজু বাদাম পুরের মত করে দিয়ে দিন।
- ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন আধা ঘণ্টার মত। এর মাঝে এক বার উলটে দিবেন, নতুবা প্লেটের সাথে আটকে যাবে।
- একটা ডিম অল্প লবণ আর মরিচ গুঁড়া দিয়ে ফেটে নিন। চপ গুলো শুকনো কর্ণ ফ্লাওয়ারে গড়িয়ে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে গরম তেলে সোনালী করে ভেজে নিলেই কাঁচা কলার শাহী চপ তৈরি।
- আপনি চাইলে শুধু ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে অথবা ডিম বা কর্ণ ফ্লাওয়ার ছাড়া শুধু কলার চপ-ও গরম তেলে ভেজে নিতে পারেন। গরম ভাত বা পোলাও এর সাথে খুবই ভাল যায় এই চপ।
=============================

No comments:

Post a Comment